ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় যদি তা সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়: মিফতাহ সিদ্দিকী

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর অন্বেষণ এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। “চাঁদের হাসি বিলিয়ে দেওয়ার” প্রত্যয়ে আয়োজিত প্রজেক্ট ‘আলোর অর্ঘ্য’-এর মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয় নির্মল আনন্দ আর ঈদের উচ্ছ্বাস।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টায় নগরীর চৌকিদেখী এয়ারপোর্ট রোড এলাকায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে যাওয়া হয় শপিংমলে। সেখানে তাদের পছন্দ অনুযায়ী নতুন জামা-কাপড় কিনে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ছোট্ট সোনামনিদের হাতে মেহেদি পরিয়ে দেওয়া, চুল কাটা, হাত-পায়ের নখ কেটে পরিপাটি করে তোলা সব মিলিয়ে তাদের প্রস্তুত করা হয় এক আনন্দঘন ঈদ উৎসবের জন্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পরিপূর্ণ হয়, যখন তা সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আলোর অন্বেষণ যে আলোর প্রদীপ জ্বালিয়েছে, তা আমাদের সমাজকে আরও সহমর্মী ও মানবিক হতে অনুপ্রাণিত করবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক জহির হোসেন তুহিন, মদন মোহন কলেজের অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, সমাজসেবক লূৎফুর রহমান, আলোর অন্বেষণ এর সভাপতি সাজন আহমদ সাজু, যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুল হক রাজন, সমাজকর্মী শামীমা আক্তার সাথী, কাওসার আহমেদ রকি, শেখ হাবিব রহমান, রেজাউল করিম মিলু, ইমদাদ হোসেন, বিল্লাল আহমদ, স্মৃতি বেগমসহ আরও অনেকে।
আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু নতুন পোশাক দেওয়া নয়, বরং শিশুদের মনে ঈদের আনন্দ ও ভালোবাসার উষ্ণতা পৌঁছে দেওয়া। তাদের হাসির মধ্যেই যেন প্রতিফলিত হয় এক মানবিক, সহমর্মী সমাজের স্বপ্ন।
‘আলোর অর্ঘ্য’ আয়োজন যেন প্রমাণ করে অল্প একটু ভালোবাসা আর আন্তরিক প্রচেষ্টাই পারে কারও ঈদকে করে তুলতে অনন্য, উজ্জ্বল ও স্মরণীয়। বিজ্ঞপ্তি

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *