ওমিক্রনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে যা জানালেন মডার্না সিইও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ এর বিরুদ্ধে বিদ্যমান কোভিড টিকা কতটা কার্যকর তা জানার জন্য চেষ্টার কথা জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। এবার এ বিষয়ে আশঙ্কার কথাই জানালেন মডার্নার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফেন ব্যানসেল।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা যতোটা কার্যকর ছিলো ওমিক্রনের বিরুদ্ধে ততোটা কার্যকর নাও হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যানসেল বলেন, আমি মনে করি, একটি উপাদানের পতন হতে যাচ্ছে। তবে আমি জানি না এর পরিমাণ কত হবে। কারণ আমাদের এখনও আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি যে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন, করোনার নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট ভালো কিছু হতে যাচ্ছে না।

মডার্নার সিইও বলেন, আমার মনে হয় এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে (টিকার) কার্যকারিতা একই মাত্রার হবে, যেটা ডেল্টার ক্ষেত্রে পাওয়া গিয়েছিলো।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ওমিক্রনের সামনে টিকার প্রতিরোধ কতটা টিকবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ফাইজার ও মডার্নার মত যেসব টিকা এমআরএনএ কৌশলে তৈরি করা হয়েছে, সেগুলোকে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্য বদলে নেওয়ার সুযোগ থাকার কথা।

ফাইজার ও মডার্নাও বলেছে, প্রয়োজনে টিকার প্রক্রিয়াগত দিকটি নতুন করে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

ফাইজারের মুখপাত্র জেরিকা পিটস বলেন, ফাইজারের বিজ্ঞানীরা ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যমান টিকার পরিবর্তন করতে পারবে এবং নতুন ভ্যরিয়্যান্টের জন্য ১০০ দিনের মধ্যে টিকা সরবরাহ করতে পারবে।

মডার্না বলছে, নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পরপরই গত মঙ্গলবার তাদের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ড. স্টিফেন হোগে দাবি করেন, এ ধরনটির বিরুদ্ধে তাদের কোম্পানি সবার আগে কাজ শুরু করেছে।

স্টিফেন হোগে বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তবে দুই মাসের মধ্যে মডার্না তার টিকার নতুন সংস্করণ আনতে পারবে এবং কার্যকারিতা পরীক্ষার ফল জানাতে পারবে তিন মাসের মধ্যে।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published.