জগন্নাথপুরে পূর্ববিরোধের প্রতিপক্ষের হামলায় দুই জন গুরুতর আহত

84 total views, 1 views today

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে পূর্ববিরোধের জেরে হামলায় দুই জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহত দুজনকেই আশঙ্কা জনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, জগন্নাথপুরে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিশনের শ্রীধরপাশা গ্রামের কোরেশী গোষ্ঠীর আশিক মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া (২৪) ও মৃত মজমিল মিয়ার ছেলে জিলু মিয়া (৩৫)। এর মধ্যে সোহাগ মিয়া সজ্ঞাহীন অবস্থায় রয়েছেন।

শুক্রবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জগন্নাথপুরে উপজেলার শ্রীধরপাশা গ্রামে পূর্ব জের ধরে শ্রীধরপাশা দারুল উলুম মাদরাসার সামনে এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে আহতদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করে।

আহতদের স্বজন হামলায় আহত জিলু মিয়া জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় জগন্নাথপুরে উপজেলার শ্রীধরপাশা গ্রামের আশরাফ আলম কোরেশী ও একই গ্রামের আব্দুল মালিক পক্ষের লোকজনদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ২০১৭ সালের ১৬ সেপেটেম্বর শ্রীধরপাশা দারুল উলুম মাদ্রাসার জমি নিলামকে কেন্দ্র করে আশরাফ আলম কোরেশীর গ্রুপের সাথে আব্দুল মালিক গ্রুপের বন্দুকযুদ্ব হয় । এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭০ জন আহত হন এবং নুর আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হন।

ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় শ্রীধরপাশা বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে দারুল উলুম মাদরাসার সামনে পৌছামাত্র আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আব্দুল মালিক গ্রুপের সন্ত্রাসীরা সোহাগ ও জিলুর উপর দেশিয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে অর্তকিত হামলা চলায়। এতে সোহাগ মিয়ার পেটে, পিঠে ও হাত রক্তাক্ত জখম কর। তার পেট দিয়ে বুড়ি বের হয়ে গেছে বলে ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সোহাগের শরীরে প্রায় চার ঘন্টাব্যাপী অস্ত্রোপচার করা হয়। এছাড়া জিলু মিয়ার হাত ভেঙে গেছে। এছাড়াও আহতদের শরীরে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

শ্রীধর পাশা গ্রামের কোরেশী গোষ্ঠীর আশিক মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ও মৃত মজমিল মিয়ার ছেলে জিলু মিয়ার উপরে শ্রীধর পাশা গ্রামের আব্দুল মালিক গ্রুপের নেতা শাহিন আলম ও মুর্শেদের নেত্বতে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালায় । হামলায় সোহাগ ও জিলু মিয় গুরতর আহত হন ।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাবীব (১) জানান, খবর পেয়ে থানাপুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •