ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে দূরত্ব কমবে

224 total views, 1 views today

শীতলক্ষ্যা নদীতে নির্মিত সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে চালু হতে যাচ্ছে নরসিংদী ও গাজীপুর জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কটি চালু হলে দুই জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে দূরত্ব কমবে সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের।

চলতি মাসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানিয়েছে সড়ক বিভাগ।

সড়ক বিভাগ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নরসিংদী ও গাজীপুর জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ হয়েছে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে। কিন্তু ৪০ কিলোমিটারের এ সড়কের চরসিন্দুুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চালু হচ্ছিল না যান চলাচল। এলাকাবাসীর প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হওয়ার পর ২০১৬ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করে নরসিংদী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। ২৬ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে সেতুটি।

৫১০ দশমিক ৪০২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ২৫০ মিটার প্রস্থের এ সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১২৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সেতুটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সড়কটি চালু হলে শিল্পসমৃদ্ধ গাজীপুর ও নরসিংদী জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি আরও সহজ হবে ঢাকার সঙ্গে সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ। ফলে চাপ কমবে গাজীপুর থেকে ঢাকা হয়ে কাঁচপুর ও টঙ্গী সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পরিবহনেরও। অবসান হবে দুই জেলার মানুষের নৌকায় করে শীতলক্ষ্যা নদী পার হওয়ার দুর্ভোগও।

পলাশ উপজেলার চরসিন্দুুর ইউপি সদস্য ফরিদ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আগে নদী পার হতে গিয়েও দুর্ভোগ ছিল, কাঁচপুর বা টঙ্গী ঘুরে গাজীপুর যেতেও অতিরিক্ত সময় লাগতো। এখন শীতলক্ষায় সেতু নির্মাণের ফলে গাজীপুরের কালীগঞ্জের সঙ্গে পলাশ, তথা নরসিংদী অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হয়েছে।

চরসিন্দুর শহীদ স্মৃতি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বজলুল করিম পাঠান বলেন, এ সেতু শুধু দুই জেলার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নেই ভূমিকা রাখবে না, সড়কপথে ঢাকার সঙ্গে সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের দূরত্ব কমবে। এটা এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, বর্তমান সরকার সেটা পূরণ করেছে।-আলোকিত বাংলাদেশ

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  • 54
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    54
    Shares