কে এই উপজেলা শিক্ষা কর্তা,তিনি সংবিধানের বহির্ভূত না ?

66 total views, 1 views today

“খুঁটির জোরটা কোথায় একই জায়গায় ১৫ বছর যাবত “
আজিজুল ইসলাম সজীব::হবিগঞ্জ সরকারি বিধান হচ্ছে একই পদে ও এই কর্মস্থলে কোনো সরকারী কর্মকর্তা তিন বছরের বেশি থাকার কোনো নিয়ম নাই। তবে এর উল্টো টা ঘটছে বানিয়াচঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাওছার শোকরানা সাহেবের ক্ষেত্রে। তিনি প্রায় দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত এই একই সরকারী পদে বানিয়াচঙ্গের অদিবাসীর মতই বাড়ি-ঘর মনে করে ইচ্ছে মত কাজ করছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাওছার শোকরানা সাহেব ২০০৩ সালের শেষের দিকে (আগস্ট) বানিয়াচং উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।  দীর্ঘ এত বছর ধরে একই অফিসের কর্মরত থাকার সুবাদে তিনি এখন ওই অফিসের বড় -কর্তা ! (বাবু) নিজেকে বেশ দাপটের সাথেই মানিয়ে চাকরি করছেন। তবে অবাক লাগে ওই কর্মকর্তা কি ভাবে আছেন কে বা কারা ওই কর্মকর্তা পেছনের শেখর হিসাবে শক্তি যোগান দিচ্ছেন।
আরো খবর নিয়ে জানা যায়, কাওছার শোকরানা সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
জানা যায়, সরকারি চাকরিবিধি ও সর্বশেষ মন্ত্রি-পরিষদের পরিপত্র অনুযায়ী একই কর্মস্থলে ৩ বছরের অধিক কর্মরত থাকার কোনো নিয়ম নাই। সরকারি আইন অমান্য করেন এতবড় গুরুত্বপূর্ণ অফিসে এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে কিভাবে এই ১৫ বছর ধরে কর্মরত আছেন। অপর একটি সূত্র জানায়, বেশ কয়েকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বদলির আদেশ হলেও কি ভাবে অদৃশ্য কোন শক্তি  ওই কর্মকর্তা বদলির আদেশ পর্যন্ত  কার্যকর হতে দিচ্ছে না।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অফিসের কেউ কোন কিছুই জানেন না বলে এড়িয়ে যান।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা কাওছার শোকরানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কে বলছেন জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় দিলে  ‘তিনি পরে কথা বলি আমি একটু ব্যাস্থ আছি’ বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।
এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খন্দকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরকারি বিধি মোতাবেক কর্মস্থলে ৩ বছর হলেই তাকে অন্যত্র বদলির নিয়ম আছে। তবে উনি কী কারণে বা কিভাবে এতদিন ধরে এই পদে কর্মরত আছেন তা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে। এর চেয়ে বেশি আমি জানি না।
কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •