এমপি কেয়া চৌধুরী প্রচেষ্টায় দরিদ্র ২শ ৫০ ব্যক্তির ঘর নির্মাণ

90 total views, 1 views today

নবীগঞ্জ উপজেলার পাঞ্জারাই গ্রামের বাসিন্দা দৃষ্টি প্রতিবন্ধি রানু লাল দাশ। সামান্য জমিতে তার বসবাস। আর তার মধ্যে আবার নুন আন্তে পান্তা ফুরিয়ে যায়। এখানে ঘর নির্মাণ করার মত সামর্থ্য কোথায়? এ উপজেলার আনাচে-কানাচে রানুর ন্যায় দরিদ্র ব্যক্তির ভিটেমাটি থাকলেও গৃহ নির্মাণ করারমত অর্থ নেই।

এমপি কেয়া চৌধুরী এদের ঘর নির্মাণ করে দিতে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেন। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে নবীগঞ্জ উপজেলায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে। এ টাকায় ভিটে আছে ঘর নেই এমন দরিদ্র ২শ৫০ ব্যক্তিকে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেকটি গৃহ নির্মাণে ১ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে ‘যার জমি আছে ঘর নাই তাঁর নিজতে গৃহ নির্মাণ’ কর্মসূচির আওতায় গৃহীত ২শ ৫০টি ঘরের কাজের শুভ সূচনা এবং আলোচনা সভা নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ জুলাই বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তৌহিদ বিন হাসানের সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ ৭নং ইউনিয়নের সভাপতি ভানু লাল দাশের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কেয়া চৌধুরী বলেন, এমপি হয়েই নিজ থেকে নবীগঞ্জ-বাহুবলের গ্রামে গ্রামে গিয়েছি। নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বরাদ্দ দিয়েছি। এতে তৃণমূল মানুষের কল্যাণে কাজ হয়েছে। যার প্রমাণ সবার সামনে।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার মাধ্যমে আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ টাকায় নবীগঞ্জে যার জমি আছে ঘর নেই। তাদের জন্য ২শ ৫০টি গৃহ নির্মাণ হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের দেখভালে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে এসব গৃহ নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

তিনি বলেন, আমি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাঠে কাজ করছি। তারা মাঠে গিয়ে প্রকৃত ব্যক্তিদের বের করে নিয়ে আসছেন। আর প্রকৃত ব্যক্তিরাই এ গৃহ পাবেন। এ ব্যাপারে কোন প্রকারের স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, উন্নয়ন করছে বলেই তৃণমূল জনগণ বারবার নৌকায় ভোট দিচ্ছে। উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো নৌকায় ভোট দিতে তিনি সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। সভায় উপস্থিত তৃণমূল জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মী এ আসনে নৌকা মার্কা নিয়ে সংসদ নির্বাচন করার জন্য এমপি কেয়া চৌধুরীর প্রতি আহবান জানান।

সভায় বক্তব্য রাখেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরু মিয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ছাদু মিয়া, জেলা আওয়ামীলীগ প্রচার সম্পাদক অনুপ কুমার দেব মনা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রেজভী আহমেদ খালেদ, সাবেক সহ-সভাপতি মিনাল কান্তি রায় মিনু, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি মোজাহিদ মিয়া, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ আব্দুল হেকিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান, ৯নং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি বিধু দাশ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন মিয়া, ৭নং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক শৈলেন দাশ, এটুআই জেলা এ্যাম্বাসেডর মোঃ লোকমান খান, মহিলা মেম্বার হামিদা চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ ছালিক মিয়া, আলী নেওয়াজ গাজী, ইমান আলী, আব্দুল মন্নান, মোদাব্বীর হোসেন, ময়না মিয়া প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •