খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর শায়খুল হাদীস মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ। বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিলো। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা এবং ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এ দেশের ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছিলো। দেড় হাজার শহীদের জীবন আর অসংখ্য আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের রক্তের সাথে গাদ্দারী করার পরিনাম শুভ হবেনা। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় উপকারভোগী হওয়া সত্ত্বেও গণভোটে দেশের সত্তর শতাংশ মানুষের গণরায়কে তোয়াক্কা না করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে অনিহা প্রকাশ করছে। দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষমতার মোহ তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। ফ্যাসিবাদী আমলের সব গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার দ্রুত করতে হবে এবং দণ্ডিতদের রায় অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।
গত বুধবার (৫ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিবাদীদের গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নেহাল আহমদ। মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জাবেদুল ইসলাম চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি শাহ আশিকুর রহমান, মাওলানা শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইলিয়াস, আব্দুল হান্নান তাপাদার, ডাঃ মুহাম্মদ ফয়জুল হক, ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ারুল ইসলাম, মাওলানা ইমদাদুল হক নোমানি, মাওলানা গোলাম রব্বানী, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আহমদ সাইফুর রহমান, মাওলানা জুনায়েদ আহমদ, মাসুদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মনজুরে মাওলা, ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি মুহিবুর রহমান রায়হান, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও শাবিপ্রবি শাখার সভাপতি জুনায়েদ আহমদ, ইসলামি যুব মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা জাকারিয়া আল হাসান, শ্রমিক মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম, খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ তাহির চৌধুরী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মাশুক আহমদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান কবির ডালিম, অফিস সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খায়রুল ইসলাম, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক মাস্টার মোঃ ফারুক মিয়া, সহ-প্রচার সম্পাদক জুবায়ের আহমদ, নির্বাহী সদস্য মাওলানা সাইফুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা আব্দুল হামিদ, জাহেদ আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।


