নিজস্ব প্রতিবেদক-
গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হামলা, মারধর, হুমকি, মোবাইল-ক্যামেরা ছিনতাই এবং মিথ্যা মামলার শিকার হচ্ছেন।
অত্যন্ত দুঃখজনক হলো, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত অসংখ্য সাংবাদিক সংগঠন, প্রেসক্লাব ও ফোরাম থাকার পরও এসব ঘটনার বিচার প্রায় শূন্যের কোঠায়। হামলার পর প্রেসক্লাবে মানবন্ধন হয়, বিবৃতি হয়, কিন্তু মামলা তদন্তে গতি আসে না। ফলে হামলাকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
আমরা মনে করি, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও দুর্নীতিবাজ চক্রের অন্যায় তুলে ধরার কারণেই মফস্বলের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা তখনই অর্থবহ হবে যখন গ্রামের রিপোর্টারটি নির্ভয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
*অতএব, [বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম ] এর পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাই:*
1. সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ৭ দিনের মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
2. জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হবে।
3. হামলার শিকার সাংবাদিক ও তার পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও আইনি সহায়তা রাষ্ট্রকে দিতে হবে।
সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলা মানে জনগণের জানার অধিকারের উপর আঘাত। এই অপসংস্কৃতি বন্ধ না হলে গণতন্ত্র ও মুক্ত সাংবাদিকতা হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম এর সভাপতি মোঃ কুতুব উদ্দিন।
এসব এর প্রতিকার প্রতিরোধ এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর সুদৃস্টি আশা করেন সারাদেশে সকল গণ মাধ্যম কর্মী এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম সকল পদধারী সদস্যগণ।


