মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে ১ মে মজুরিসহ ছুটি ভোগ করে মহান মে দিবসের কর্মসূচি পালন করার জন্য সকল শ্রমিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং চট্ট-১৯৩৩)।
২৮ এপ্রিল বিকেল ৪.৩০ মিনিটের সময় ক্বীণ ব্রীজের (দক্ষিণ পাড়) মুখে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভটি কদমতলী পয়েন্ট হয়ে হুমায়ুন রশিদ চত্বরে গিয়ে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ছাদেক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক রাশেদ আহমদ ভূইয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মনির হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহেল আহমদ জিল্লুল, বন্দর বাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাবউদ্দিন, চন্ডীপুল আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মুহিদুল ইসলাম।
নেতৃবৃন্দ বলেন হোটেল শ্রমিকরা কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মালিকের মুনাফা লাভে কাজ করে গেলে তাদের দেওয়া হয়না শ্রমের প্রকৃত মূল্য। বর্তমান দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে শ্রমিকদের যে মজুরি দেওয়া হয় তা দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা দায় হয়ে পরেছে। ১মে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সারাদেশের সরকারী-বেসরকারী সেক্টরের শ্রমিক কর্মচারী ছুটি ভোগ করে থাকলেও হোটেল শ্রমিকরা এ অধিকার থেকে বারংবারই বঞ্চিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর মে দিবস আসলে মালিকরা শ্রমিকদের ছুটি না দিতে নানা অপকৌশল গ্রহণ করে থাকেন। নেতৃবৃন্দ মালিকদের সকল রকমের অপকৌশল ও চাতুরতা সম্পর্কে সজাগ, সর্তক, সচেতন থেকে মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে মে দিবসের অর্জিত অধিকার মজুরিসহ ছুটি ভোগ করার মধ্য দিয়ে মে দিবসের রক্তে রঞ্জিত ইতিহাসকে বুকে ধারণ করে দাবি ও অধিকার বাস্তবায়নের আন্দোলন সংগ্রাম বেগবান করুন।
নেতৃবৃন্দ বলেন হোটেল শ্রমিকরা কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মালিকের মুনাফা লাভে কাজ করে গেলে তাদের দেওয়া হয়না শ্রমের প্রকৃত মূল্য। বর্তমান দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে শ্রমিকদের যে মজুরি দেওয়া হয় তা দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা দায় হয়ে পরেছে। ১মে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সারাদেশের সরকারী-বেসরকারী সেক্টরের শ্রমিক কর্মচারী ছুটি ভোগ করে থাকলেও হোটেল শ্রমিকরা এ অধিকার থেকে বারংবারই বঞ্চিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর মে দিবস আসলে মালিকরা শ্রমিকদের ছুটি না দিতে নানা অপকৌশল গ্রহণ করে থাকেন। নেতৃবৃন্দ মালিকদের সকল রকমের অপকৌশল ও চাতুরতা সম্পর্কে সজাগ, সর্তক, সচেতন থেকে মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে মে দিবসের অর্জিত অধিকার মজুরিসহ ছুটি ভোগ করার মধ্য দিয়ে মে দিবসের রক্তে রঞ্জিত ইতিহাসকে বুকে ধারণ করে দাবি ও অধিকার বাস্তবায়নের আন্দোলন সংগ্রাম বেগবান করুন।
কমেন্ট

