৩ মিনিটে ২ গোল হজম করে প্রথমার্ধ শেষ বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক:   এশিয়ান কাপ ফুটবলে নিজেদের অভিষেকে আজ চীনকে রীতিমতো চমকেই দিতে চলেছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের একটা বড় সময় আটকে রেখেছিল এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ৩ মিনিটে ২ গোল হজম করে বসেছে আফইদা খন্দকারের দল। বিরতিতে গেছে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে।

৪৬ বছর পর এশিয়ান কাপে খেলছে বাংলাদেশ। ১৯৮০ সালে শেষবার এই আসরে খেলেছিল দেশ। তবে সেটা পুরুষদের ফুটবলে। নারী এশিয়ান কাপে এবারই প্রথম নামল বাংলাদেশ।

শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে শুরুটা ভালো ছিল। প্রথম ৪০ মিনিট দারুণ লড়াই করে বাংলাদেশ। রক্ষণ ছিল শক্ত। মাঝমাঠেও লড়াই হয়েছে সমানে সমান।

১৪ মিনিটে গোলের খুব কাছে চলে যায় বাংলাদেশ। বাঁ উইং দিয়ে এগিয়ে যান ঋতুপর্ণা। তিনি বাঁ পায়ে দূরপাল্লার শট নেন। বল জালে ঢোকার আগে লাফিয়ে ঠেকান চীনের গোলকিপার চেন চেন। ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের।

২৪ মিনিটে চীন গোল পায়। জিন কুনের ক্রস থেকে হেডে জালে বল জড়ান ওয়াং সুয়াং। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় তিনি অফসাইডে ছিলেন। চার মিনিট ভিএআর পরীক্ষার পর গোল বাতিল হয়।

৪১ মিনিটে প্রথম কর্নার পায় বাংলাদেশ। মনিকা চাকমার কর্নার থেকে সুযোগ তৈরি হয়। তবে শামসুন্নাহার জুনিয়র শট নিতে পারেননি।

৪৪ মিনিটে চীন এগিয়ে যায়। মিডফিল্ডার ওয়াং সুয়াং বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট নেন। বল দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে ঢোকে। স্কোর হয় ১–০।

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আবার গোল। ৪৬ মিনিটে মিডফিল্ডার ঝ্যাং রুইয়ের নিচু শট ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুর পায়ে লেগে জালে যায়। তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২–০ ব্যবধানে।

প্রথমার্ধের পরিসংখ্যানে সব দিক থেকেই এগিয়ে চীন। বল দখলে তাদের ৬৩.৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ৩৬.৭ শতাংশ। চীন ১৩টি শট নেয়। ৭টি ছিল লক্ষ্যে। বাংলাদেশ নেয় ৩টি শট। ২টি ছিল লক্ষ্যে।

চীন ৩টি কর্নার পায়। বাংলাদেশ পায় ২টি। গোল সেভে এগিয়ে বাংলাদেশ। মিলি ও রক্ষণ মিলে ৬টি সেভ করে। চীনের গোলকিপার করেন ২টি সেভ।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *