ওসমানীনগর প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে নির্বাচনী নিরাপত্তা কাজে বসানো সিসিটিভি প্রকল্পের দুর্নীতির কারণে ইউএনও’র অপসারণ ও প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের তাজপুর বাজারস্থ বনফুলের সামনে উপজেলার সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার সাবেক সদস্য মাহফুজুর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা ছাত্রশক্তির যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম, সাকিব আহমদ, সাধারণ শিক্ষার্থী আলভি রহমান, শেখ রাহি আহমদ।
উপস্থিত ছিলেন, আকাশ আহমদ, আহিয়ান আহমেদ, রাব্বি, আকিবুর রহমান, কাঁকন চন্দ্র, বায়োজিদ, তানভির আহমেদ, রিয়াদ আহমেদ, তানভীর আহমদ, ইফাত আহমদ, বুরহান আহমদ প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা কর্তৃক সদ্য সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা কাজে বসানো সিসিটিভি প্রকল্পে সংঘটিত দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন ও ইউএনও কে অপসারণের জন্য ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম প্রদান করেন। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দাবি না মানলে উপজেলার ৮ ইউনিয়নের স্কুল কলেজ মাদরাসার সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেবেন বলে তারা হুশিয়ারী প্রদান করেন।
উল্লেখ্য সদ্য সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ৫৪টি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে সিসিটিভি স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা ইউনিয়ন পরিষদের স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করের ১ শতাংশের আওতায় বিভাজনকৃত মোট ৩৮ লাখ ১৪ হাজার ৯৯৭ টাকা এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বরাদ্ধকৃত ২০টি কেন্দ্রে ৬টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকার কাজে ঠিকাদার নিয়োগ, কাজে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম করেন। এ নিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান শুরু হলে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ১০দিন পরে হাটবাজার ও জনসমাগমের স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে দৈনিক জালালাবাদ, আমার দেশ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় জনতা।


