ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট- ৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসন থেকে অবশেষে ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেন ফয়সল আহমদ চৌধুরী। এর আগে এমরান আহমদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।
সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার এলাকায় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা দেখা দেয়। রবিবার মধ্যরাত থেকেই অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনোনয়নের ছবি পোস্ট করে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। এ খবরে সিলেট-৬ আসনের নেতাকর্মী, সমর্থক, ভোটারসহ জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। অনেকে বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন সঠিক লোককে বেছে নেওয়ার জন্য।
সিলেট-৬ সংসদীয় আসনের ভোটাররা বলছেন, ক্লিন ইমেজ ও অমায়িক ব্যবহারের কারণে এই আসনে ফয়সল আহমদ চৌধুরীর আলাদা জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি ২০০৭ সাল থেকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকার মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং এখনো করছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে তিনি জনগণের পাশে থেকেছেন, স্বৈরাচারী সরকারের রক্তচক্ষুর ভয়ে সরে যাননি বা নিজের গা বাচিয়ে চলেননি।’
নেতাকর্মীরা বলছেন, বন্যা, করোনাকালীন দুঃসময়ে মানুষের পুনর্বাসন, জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান-অনুদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নধর্মী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মনোনয়ন পাওয়ার খবরের দুই উপজেলার এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
নেতাকর্মীরা বলছেন, বন্যা, করোনাকালীন দুঃসময়ে মানুষের পুনর্বাসন, জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান-অনুদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নধর্মী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মনোনয়ন পাওয়ার খবরের দুই উপজেলার এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উল্লেখ, ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ আসনে ফয়সল আহমদ চৌধুরী ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। কারচুপির ওই নির্বাচনে মাত্র ২ ঘণ্টায় এক লাখ ৮ হাজার ৮৯ ভোট।
কমেন্ট

