তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত -জনগণের উপর ভরসা রেখে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত : শেখ মো. আব্দুল্লাহ

রাজনীতি হলো শ্রম ও মেধার সমন্বয়ে দেশ ও দেশবাসীর সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে সাংগঠনিকভাবে সৎকার্য সাধন করা। এটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানব সেবা। মানব সেবা পরম ধর্ম। একজন মানুষ প্রকৃত জনসেবার মধ্য দিয়েই হয়ে উঠতে পারেন প্রকৃত শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার পাত্র। শুধু মানুষের সন্তুষ্টি নয়, রাজনৈতিক সৎ কর্মের মধ্য দিয়ে একজন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন করতে পারেন। তেমনই একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, জনসাধারণের ভালোবাসার পাত্র ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের হযরতপুর (গোপালপুর) গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মরহুম আলহাজ্ব শেখ মো. মোসলেম মিয়ার সন্তান। তার বয়স বর্তমানে ৬২ বছর। তিনি এখন মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ১নং সদস্য ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি।

যুগযুগ ধরে তিনি নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য নানা রকম সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতাও করে আসছেন। এছাড়াও তিনি এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং রাস্তা-ঘাট নির্মাণ সহ শতশত সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

এছাড়াও তার নিজ দল বিএনপির প্রতি রয়েছে অগাধ ভালোবাসা। দলের কর্মীদের প্রতি রয়েছে অফুরন্ত স্নেহ ও মমতা। ২৮ অক্টোবর ২০২৩ সালের ঢাকার পল্টনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মালখানগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হালিম শেখ চিরদিনের জন্য পুলিশের গুলিতে দুই চোখ হারান। তিনি তাকে চিকিৎসার জন্য মাসিক খরচ দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

২০২২ সালে মুক্তারপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত শাওনের সাথে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীরের চিকিৎসাবাবদ ৯ লক্ষ টাকা অনুদান দেন তিনি। মুন্সিগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক মোল্লার ওপেন হার্ট সার্জারির সকল খরচ বহন করেন। বিগত ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে মামলায় নেতাকর্মীদের পিসিতে আর্থিক অনুদান দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহত ও নিহত পরিবারদেরকে শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও সাভার এলাকায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা অনুদান দেন। সিলেটের বন্যায় ৬০ লক্ষ টাকার অনুদান দেন। তুরস্কের ভূমিকম্পে ৬০ লক্ষ টাকা অনুদান দেন। রোহিঙ্গাদের জন্য ৩ টা মসজিদ ও ২ টা মাদ্রাসা করেন। দরিদ্র এলাকা রংপুর-নিলফামারীতে একটা জায়গা ক্রয় করে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মসজিদ করে দেন।
তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৩২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছেন। যাদের অনেকেই একসময়ের দরিদ্র অবস্থা থেকে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।
সম্প্রতি তিনি তারাশ বিডির সাথে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তার সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। নিম্ন সাক্ষাতকারটি তুলে ধরা হলো-

আশরাফ ইকবাল- সিরাজদিখানে দলীয় কার্যক্রম কেমন চলছে?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- সর্বপ্রথম মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনের জনগণকে বিএনপির পক্ষ থেকে, আমার নেতা তারেক রহমানের পক্ষ থেকে, ম্যাডাম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে জানাই সকলকে শুভেচ্ছা।
এখানে সাংগঠনিক দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়েছে। মূল দলের কমিটি ও অঙ্গ সংগঠনের যে কমিটি হয়েছে এদের মাধ্যমে খুব সুষ্ঠু এবং সুন্দরমতো দলের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিগত দিনে আপনারা খোঁজখবর নিতে পারবেন যে এই দলের সারাদেশেই পদ নিয়ে যে একটা বেচাকেনা হয় আমার মনে হয় না সিরাজদিখান এবং শ্রীনগরের কোথাও কোনো অঙ্গ সংগঠন বা মূল দলের পদ নিয়ে বাণিজ্য হয়েছে। ৫ ই আগষ্টে স্বৈরাচার পতনের পর আমার নেতৃত্বে শ্রীনগর সিরাজদিখানের মানুষ নিরাপদে ছিলো। কোনো থানা লুট হয়নি, কোনো হিন্দুর বাড়ি লুট হয়নি বরং মানুষের জানমাল নিরাপদ ছিলো। বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনে রাতে প্রতিটি মন্দির পাহারা দিয়েছে। তাদের সাথে আমরা কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি। তাই এখানকার দলের কার্যক্রম বিগত দিনের তুলনায় হাজারগুণ ভালো। যদি সারা বাংলাদেশের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন সেই তুলনায় মুন্সিগঞ্জের নেতাকর্মীরা আনন্দের সাথে কাজ করছে।

আশরাফ ইকবাল- এ আসনের জন্য আপনার আগামী পরিকল্পনা কী? জনসাধারণের জন্য আপনি কী কাজ করবেন ?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- আমি বহু বছর ধরে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। নমিনেশন ডিক্লেয়ার করার পরও দলের স্বার্থে আমার সিনিয়র নেতা শাহ মোয়াজ্জেম সাহেবের সাথে আমি কাজ করেছিলাম। তখন থেকে আজও কাজ করে যাচ্ছি। আমার সাথে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সুসম্পর্ক আছে। তিনি আবার আমাকে শ্রীনগর সিরাজদিখান থানার সাংগঠনিক দায়িত্ব দিয়েছেন। তার নির্দেশ মোতাবেক আমি সাংগঠনিক কাজ করছি। আগামীতে ইনশাআল্লাহ আমি আশা করি আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে দল আমাকে নমিনেশন দিবে। তারপরও আমি বিশ্বাস করি দল যাকে নমিনেশন দিবে তার পক্ষেই আমরা কাজ করবো। আর আমাকে যদি দেয় ইনশাআল্লাহ আমি আমার নেতার পরামর্শক্রমে অবশ্যই বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার চাইতে সিরাজদিখান শ্রীনগরের চিত্র থাকবে ভিন্ন ধরনের। আপনারা দেখেছেন আমি নমিনেশন পাইনি তারপরও আমার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সিরাজদিখান শ্রীনগরের হাজার হাজার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছি। আর যদি আমি এখানকার দায়িত্ব নিতে পারি আল্লাহ যদি আমাকে সহায় করেন জনগণ যদি আমাকে সাপোর্ট করেন অবশ্যই আমার টার্গেট থাকবে যুবকদের বেকারত্ব দূর করা। নেশা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দূর্ণীতি এসবের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়া হবে। মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে। কারো উপর অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুম যেন না হয়। বিশেষ করে হিন্দু ভাই-বোনদের উপর জুলুম না হয়। সকলে যেন সমঅধিকার নিয়ে বাস করতে পারে সেদিকে সজাগ থাকবো। হিন্দু মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ভাই ভাই হিসেবে সকলে একত্রে মিলেমিশে থাকবো। এ এলাকায় অনেক প্রেসিডেন্টও ছিলো। আল্লাহ চাইলে জনগণের সহযোগিতা থাকলে তাদের চাইতে অনেক ভালো কাজ করে দেখিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।

আশরাফ ইকবাল- বর্তমান সরকারের নির্বাচনের টাইমলাইন নিয়ে আপনার মতামত কী?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- নির্বাচনের যে টাইম দিয়েছে এপ্রিলের মধ্যে। এ সরকারের তো কোনো ঠিকঠিকানা পাচ্ছি না। প্রথম একবার বললো ডিসেম্বরের মধ্যেই হবে। এরপর আবার বললো এপ্রিলের মধ্যে হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমান এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে সকারের সাথে আলোচনা করছেন। আমরা আশা করি এ সরকার পুনরায় বিবেচনা করে ডিসেম্বর বা আমার নেতা তারেক রহমানের মাধ্যমে একটা ফাইনাল ডিশিশন হবে। তারেক রহমান যেটা দিকনির্দেশনা দিবেন বা তার সাথে যেটা ফাইনাল ডিসিশন হবে সেটাই আমাদের জন্য ভালো।

আশরাফ ইকবাল- আপনি ব্যাবসায় সময় দেওয়ার পাশাপাশি কীভাবে সিরাজদিখান শ্রীনগরে এত সুন্দর সংগঠন করলেন?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- সবকিছুর মালিক আল্লাহ। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। সারা পৃথিবী এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের হায়ার এক্সপোর্টার হয়েছি কয়েকবার। স্বৈরাচারী আমলে আমাকে ডিনাই করা হয়েছে। বিএনপি করার জন্য আমাকে বাদ দেয়া হয়েছে। তারপরও দিতে বাধ্য হয়েছে। আমি সিআইপি হয়েছি। গতবছরও আমি হায়ার ট্যাক্স হোল্ডার হয়েছি। আমি তো সারাক্ষণই অফিসে বসে থাকি না। আমার নেতা তারেক রহমান যেভাবে বাহিরে থেকে দল পরিচালনা করছেন, আমিও তাকে ফলো করি। আমি তার দিকনির্দেশনা মেনে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে যারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলো তাদের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। সারা দেশের চাইতে আমার এলাকার নেতাকর্মী আমাদের কার্যক্রমে আলহামদুলিল্লাহ খুশি আছে। শ্রীনগর সিরাজদিখান উপজেলার প্রত্যেকটা ইউনিয়নের শক্তিশালি সংগঠন তৈরি করা হয়েছে।

আশরাফ ইকবাল- আপনি কি নমিনেশন পাবেন বলে আশাবাদী?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- এ বছর বিএনপি সারা দেশে শতভাগ পাশ করবে। আর মুন্সিগঞ্জ তো বিএনপির ঘাটি তাই এখানেও ইনশাআল্লাহ পাস করবে। দল যাকে নমিনেশন দিবে আমরা সকলে মিলেমিশে তার জন্যই কাজ করবো। তারেক রহমান দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। সেক্ষেত্রে আমি তাকে কেন মানবো না। গণতন্ত্রের অধিকারে যেকোনো লোকই তার মনের ভাষা প্রকাশ করতে পারে। যেকোনো লোকই নমিনেশন চাইতে পারে। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। দল যেটা সিদ্ধান্ত নিবে আমি মাথা পেতে নিবো। আমি দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি দল আমাকে নিরাশ করবে না।

আশরাফ ইকবাল- ঘাপটিমারা আওয়ামীলীগকে কোনো হুমকি মনে করেন কিনা? এদের একটা অংশ আপনার দলে আছে কিনা?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- একচুয়ালি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ১৭ বছর রাজত্ব করেছে। সাংবাদিকদেরও মুখ বন্ধ ছিলো। প্রশাসনেরও মুখ বন্ধ ছিলো। তারা স্বৈরাচারী সরকার হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বলবো তারা যেন আমাদের সাথে কোনো ধরনের খারাপ সম্পর্ক না করে। আর বিশৃঙ্খলা তৈরী না করে। এখানে ৭০ ভাগ লোকই বিএনপিমনা। আমাদের যে নেতৃবৃন্দ আছে তাদেরকে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরী করতে দেবো না। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই। যদি তারা দেশের প্রতি অনুগত থাকে তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। তারা নিয়মকানুন মেনে চললে আমরা কখনোই আইন হাতে তুলে নিবো না।

আশরাফ ইকবাল- আপনার নির্বাচনী এলাকায় প্রস্তুতি কেমন?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে আছি। যখন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে সকল কর্মসূচী শুরু করবো। এতে কোনো সময় লাগবে না। আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি। তবে কোনো দিধাদ্বন্দ্ব নেই। আমরা সবাই মিলেমিশে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

আশরাফ ইকবাল- নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- আমরা আশাবাদী তারা নিরপেক্ষ থাকবেন। তবে সরকারক আরেকটু নিরপেক্ষ আচরণ করতে হবে। আশা করছি আগামী নির্বাচনটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হবে।

আশরাফ ইকবাল- আপনাদের দলে কোনো কোন্দ্বল আছে?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- এটা একটা বিশাল দল। কোন্দ্বল থাকাটাই স্বাভাবিক। দলের সিস্টেম আছে, নীতি নির্ধারক আছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নিবে এর বাহিরে আমরা কেউ নেই।

আশরাফ ইকবাল- জনগণের উদ্দেশ্যে কিছু বলেন?

শেখ মো. আব্দুল্লাহ- আমার শ্রীনগর সিরাজদিখান থানার সর্বস্তরের জনগণকে বলবো আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন। তিনি যেন আবার সুস্থ হয়ে দলের জন্য কাজ করতে পারেন। আমার নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশে এসে সবার জন্য কাজ করতে পারেন। আপনারা কাধে কাধ মিলিয়ে দেশের জন্য কাজ করবেন। যে যেখানেই থাকিনা কেন সবাই কিন্তু ইচ্ছা করলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি। বিশেষ করে যুব সমাজ যে নেশাগ্রস্থ হচ্ছে আমরা যদি একটু খেয়াল রাখি পাশের বাড়ির ছেলেটা কী করছে তাহলে কিন্তু বিশাল কাজ হয়। যুব সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে। ধানের জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি একটু সচেতন হই, একটু রুখে দাড়াই, তাহলে আমাদের দেশের জন্য উপকার হয়। আমি আশা করবো সকলে দেশের জনগণের জন্য কাজ করবেন। আমাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ জনগণের পাশে আছে। আমরা জনগণের ভালোবাসা চাই। আমরা কোনোমতেই আইন হাতে তুলে নেবো না। আইনকে শ্রদ্ধা করে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি। ধন্যবাদ সকলকে।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *