বাংলাদেশের সমর্থন চেয়ে যা বলল চীন

নিউজ ডেস্ক::  চীনের তীব্র বিরোধিতা এবং গুরুতর প্রতিনিধিত্বকে উপেক্ষা করে, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি চীনের তাইওয়ান অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন। এটি এক-চীন নীতি এবং তিন চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বিধানের গুরুতর লঙ্ঘন। বেইজিং আশা করে ঢাকা ‘ওয়ান-চায়না’ নীতি অব্যাহত রাখবে এবং তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থানকে বুঝবে এবং সমর্থন করবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘চীন বিশ্বাস করে এ অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করবে ঢাকা।’

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীন ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার মতো মৌলিক স্বার্থের বিষয়ে উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে বোঝে এবং সমর্থন করে। ‘ওয়ান-চায়না’ নীতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি সন্তুষ্টি জানায় চীন।’

স্পিকার পেলোসির এই সফর তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে টেনশন ও সংঘাত ডেকে আনতে পারে এবং এর ফলে সারা বিশ্ব আরও অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।

চীন ও বাংলাদেশ ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। দুই দেশ সর্বদাই নিজ নিজ সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা সংক্রান্ত মূল স্বার্থের বিষয়ে একে অপরকে বুঝেছে এবং সমর্থন করেছে। চীন এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা এর দৃঢ় বিরোধিতাকে অত্যন্ত প্রশংসা করে।

আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এক-চীন নীতি মেনে চলবে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের ন্যায্য এবং ন্যায্য অবস্থান বুঝতে ও সমর্থন করবে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় চীনের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published.