আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোয় রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধজ্ঞা চাপাচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো। ইতোমধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভসহ দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এবার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো রুশ বিড়ালের ওপর। শুধু তাই নয়, নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য বানানো হয়েছে রাশিয়ার একটি গাছকেও। বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক বিড়ালবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফেলাইন ফেডারেশন (ফিফে)। সদস্য দেশগুলোর বিড়ালের নিবন্ধনের পাশাপাশি বিড়ালের বিভিন্ন প্রতিযোগিতাও আয়োজন করে থাকে সংস্থাটি। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর ইউক্রেনে হামলা ও যুদ্ধ শুরুর ঘটনায় ফিফের নির্বাহী বোর্ড বেদনাহত ও আতঙ্কিত। এ ধরনের নৃশংসতা দেখে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারে না ফেডারেশন। নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়ায় জন্ম নেওয়া কোনো বিড়ালকে ফিফের বইয়ে নথিভুক্ত করা যাবে না। এ নিষেধাজ্ঞা কমপক্ষে মে পর্যন্ত থাকবে। ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী সময়ে সেটি বাড়ানো হতে পারে। রাশিয়ার একটি ওক গাছের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ইউরোপে ‘দ্য ইউরোপিয়ান ট্রি অব দ্য ইয়ার কম্পিটিশন’ নামে গাছের চলতি বছরের এক প্রতিযোগিতায় ১৯৮ বছর বয়সি গাছটির অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আয়োজকরা। আরটি ও টিআরটি।
বিদেশে পাড়ি দিল ইউক্রেনের পশুর দলও : রুশ হামলায় ইউক্রেনজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি থেকে পরমাণু কেন্দ্র, সবকিছুই বোমাবর্ষণে ধ্বংসের মুখে। দলে দলে সীমান্ত পেরিয়ে মধ্য-ইউরোপের দেশগুলোতে পাড়ি দিচ্ছে দেশটির মানুষ। মানুষের সঙ্গে সেই দলে আছে ইউক্রেনের পশুর দলও। রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে বাঁচতেই ইউক্রেনীয় চিড়িয়াখানার ছয়টি সিংহ, ছয়টি বাঘ, দুটি ক্যারাকাল এবং একটি আফ্রিকান বন্য কুকুর নিয়ে একটি ট্রাক বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডে পৌঁছেছে। পোল্যান্ডের পোজনান চিড়িয়াখানার মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিভিন্ন প্রদেশে বোমাবাজির কারণেই তাদের স্থানান্তরিত করতে এত সময় লেগে গেল। এর আগেও অনেকবার তাদের পোল্যান্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলেও রাস্তাঘাট বোমার আঘাতে উড়ে যাওয়ার কারণেই তাদের পুনরায় ফিরে যেতে হয় গন্তব্যে।
অবশেষে অবলা প্রাণীদের সুরক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পেরে সবাই বেশ নিশ্চিন্ত।


