উত্তেজনা চরমে,এবার ইউক্রেনে ফ্লাইট বাতিল করল কয়েকটি এয়ারলাইন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  ইউক্রেন সম্ভব্য রুশ আগ্রাসন নিয়ে উত্তেজনা চরম আকার নিয়েছে।  এরই মধ্যে  ইউক্রেনে বিমানের ফ্লাইট বাতিল ও পরিবর্তন করেছে বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার ফোনালাপ থেকে ইউক্রেন ইস্যুতে কোনো সমাধান না আসার পর এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে বলে বার্তা সংস্থা এপি রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

এদিকে, শনিবার পুতিনের সঙ্গে ভিডিও আলাপকালে বাইডেন বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা চালায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র রাষ্ট্রগুলো এর সমুচিত জবাব দেবে।  রাশিয়াকে এর জন্য তাৎক্ষণিক ও কঠোর ফল ভোগ করতে হবে। ইউক্রেনে হামলা হলে তার ফল খুব মারাত্মক হবে এবং মস্কো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

অন্যদিকে, ইউক্রেন সীমান্তের তিন দিকেই ঘিরে রেখেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা ও ইউক্রেন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ধারণা, ইউক্রেনে খুব দ্রুত সময়ে হামলা চালাবে রাশিয়া।

এর মধ্যে ক্রিমিয়ায়, দুই দেশের সীমান্তবর্তী রাশিয়ার অংশ এবং উত্তরে বেলারুশে সেনা শক্তি বাড়িয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ইউক্রেইন এবং পশ্চিমা গোয়েন্দারা এ তিন এলাকাকে রণক্ষেত্র হিসেবে নজরে রাখছেন। এর প্রত্যেকটি এলাকাতেই রুশ সামরিক বাহিনীর অবস্থান পরিবর্তন চিহ্নিত করা হয়েছে।

যদি ইউক্রেনে আক্রমণ করা হয়, সেটি কোথা থেকে শুরু হবে তা স্পষ্ট নয়। তবে রাশিয়া ইউক্রেনের তিনটি পয়েন্টে বেশ চাপ সৃষ্টি করেছে। ক্রিমিয়ার দক্ষিণে, দুদেশের সীমান্তের অংশে ও বেলারুশের দক্ষিণে।

২০১৪ সালে রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে উপদ্বীপ ক্রিমিয়াকে যুক্ত করে। এই দ্বীপ এখন ইউক্রেনে হামলার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তবে এটি নিশ্চিত নয় যে, মস্কো ক্রিমিয়া থেকে আদৌ ইউক্রেনে হামলা করবে কিনা, তবে সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও বেলারুশ যৌথ সামরিক মহড়াও শুরু করেছিল। এটি ইউক্রেনে হামলার আরও সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিল।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *