কৃষক লীগের সিলেটের কমিটি নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষোভ

সিলেট নিউজ টাইমস্ ডেস্ক
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক লীগের বর্ধিত সভা শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সংগঠসে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেতারা।

সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত চলা সভায় বিভিন্ন জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা বক্তৃতা করেন। জেলা ও কেন্দ্রের অধিকাংশ নেতার বক্তব্যই ছিল সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার শামসুল হক রেজার বিরুদ্ধে। কমিটিতে পদবাণিজ্য, বর্ধিত সভা ডাকতে না পারা, এক বছরে একাধিকবার জেলা-মহানগর কমিটি ভেঙে দেওয়া ও অনুমোদন দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেতারা।

বৈঠক সূত্র জানায়, এক বছরে বার বার কমিটি ভাঙা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিলেট জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহ আলম। তিনি বলেন, সিলেটে এক বছরে তিনবার কৃষক লীগের কমিটি ভাঙা হয়েছে, আবার কমিটি দেওয়া হয়েছে। কেন এসব করা হয়েছে? স্বার্থ কী?

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক লীগের সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা (কেন্দ্রীয় নেতা) হঠাৎ করে আমাদের ওপর ‘নেতা’ চাপিয়ে দেন। চাপিয়ে দেওয়া নেতারা কৃষক লীগকে সহযোগিতা করেন না। এভাবে চললে ভবিষ্যতে সংগঠন থাকবে না।

বর্ধিত সভায় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন ভুলু, আবদুল লতিফ তারিন, ছবি বিশ্বাস, ওমর ফারুক, শরীফ আশরাফ আলী, আশা লতা বৌদ্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সমীর চন্দ্র চন্দ, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুইট, আবুল হোসেন, আতিকুল হক আতিক, প্রচার সম্পাদক এ কে আজম খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক হোসনে আরা এমপি, অর্থ সম্পাদক নাজির মিয়া বক্তৃতা করেন। জেলা নেতাদের মধ্যে রাজশাহীর রবিউল আলম বাবু, সিলেটের অধ্যাপক শাহ আলম, চট্টগ্রামের আতিকুল ইসলাম, জয়পুরহাটের অ্যাডভোকেট ফিরোজা চৌধুরী, বগুড়ার আলমগীর বাদশা, ঢাকার মাকসুদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

কমেন্ট