বিশ্বনাথের অটোরিকশা চুরির জন্য চালকে গলাকেটে হত্যা:আটক ৩

770 total views, 1 views today

নিজস্ব প্রতিবেদক-সুমন ইসলাম:: বিশ্বনাথের কামরুল ইসলামের (১৯) নামের এক সিএনজি অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাইশঘর গ্রামের নূর উদ্দিনের ছেলে। শনিবার রাতে দক্ষিণ সুরমার থানার বিবিদইল এলাকায় রাস্তার পাশে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাৎক্ষনিক বিষয়টি এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েন। শনিবার রাতে এমন খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অটোরিকশা চালকের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রবিবার সকালে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ৩ জনকে আটক এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু ও অটোরিকশা গাড়ি উদ্ধার করা করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- বিশ্বনাথ উপজেলার আটঘর গ্রামের আবদুর রুপের ছেলে আবদুস সালাম (২৯), একই গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে নাজিম উদ্দিন (৩০), সিলেট নগরীর মদিনা মার্টেক এলাকার বাসিন্দা আলফু মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান (৩০)।

লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, নিহত অটোরিকশা চালক বিশ্বনাথ এলাকার বাসিন্দা। শনিবার বিকেলে আটককৃতরা যাত্রীবেশে অটোরিকসা গাড়িটি ভাড়া নিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু রাত১০টায় অটোরিকসা চালকের পরিবারের লোকজন তার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পান। এরপর থেকে তারা চালক কামরুল ইসলামকে খোঁজাখুজি করেন।

তিনি বলেন, অটোরিকসা চালককে গাড়ি ভাড়া করে যারা নিয়ে গিয়েছিল তাদেরকে চালকের এক নিকট আত্মীয় দেখতে পান। ফলে রবিবার সকালে আটঘর গ্রামের আটক নাজিম উদ্দিনকে নিহত চালকের আত্মীয় স্বজনরা ডেকে আনেন। পরে সে অটোরিকসা চালককে হত্যা করেছে বলে স্বীকার ও তার সঙ্গে অপরজন আব্দুস সালাম ছিল বলে জানায়। পরে এলাকাবাসী আব্দুস সালামকেও আটক করেন। পরে থানা পুলিশ আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসে।

এরপর আটককৃতদের দেওয়া তথ‌্য অনুযায়ী দক্ষিণ সুরমার বিবিদইল এলাকার একটি ফসলি জমির পানি থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকায় থেকে অটোরিকশা গাড়ি উদ্ধার করা হয়। লাশটি বর্তমানে দক্ষিণ সুরমা থানায় রয়েছেন বলে তিনি জানান।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  • 69
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    69
    Shares