বাস চালককে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের করে শ্রমিকরা

127 total views, 1 views today

নিজস্ব প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জ, বাহুবলে রাস্তায় উপর দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানো ও নামানোর অভিযোগে একটি লোকাল বাসের চালককে জরিমানা করার জের ধরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বাস শ্রমিকরা। এসময় মহাসড়কের দু’পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। আর এতে করে ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টায় পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় শ্রমিকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদরের বাজারে ঢাকা (মেট্রো জ ১১-২৮ ৯৪) এর একটি লোকাল বাস রাস্তায় উপর দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানো ও নামানোর অভিযোগে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুদ্ধ বাস শ্রমিকরা ঝড়ো হয়ে পুটিজুরি বাজার এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

এসময় মহাসড়কের দু’পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি বাহুবল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাইসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সামাধান করে দেবেন বলে আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে শ্রমিকরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, মহাসড়কের দিনের পর দিন সিএনজিসহ কাগজপত্র বিহীন অনেক যানবাহন চলাচল করছে। তার কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। অথচ রাস্তায় দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানো কারণ দেখিয়ে বাস চালককে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায় জানান, মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত সিএনজি ও ফিটনেস বিহীন গাড়িসহ বহু যানবাহন চলাচল করছে। প্রশাসন তার কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ যাত্রী উঠানোর কারণ দেখিয়ে বাস চালকে জরিমানা করায় বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে।

বাহুবল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জসিম উদ্দিন জানান, শুধু রাস্তার উপর দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানো ও নামানো নয় গাড়ির কাগজ পত্র ও লাইসেন্স চাইলে চালক কোন কাজগ পত্র ও লাইসেন্স দেখাতে পারেনি। তাই তাকে জরিমানা করা হয়েছে।

বাহুবল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই জানান, বাস শ্রমিক ও প্রশাসনের মধ্যে ভুলবুঝাঝির কারণে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা সমাধান করা হয়েছে। মহাসড়ক থেকে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যার করেছে। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •