প্রবাসে অবস্থানরত উগ্রবাদী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন কর্তৃক আমীরে হেফাজত, শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী (দা.বা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যন্ত কুৎসিত, মনগড়া ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।
আজ এক যৌথ বিবৃতিতে যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম দিলদার এই তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানান— সিনিয়র সহ-সভাপতি এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা আফজাল হোসাইন খান, মাওলানা আবু সুফিয়ান, মাওলানা আব্দুল আহাদ আল আতিক, মাওলানা ফয়জুল হাসান খান, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা শাহিদ হাতিমী, মাওলানা আব্দুল হাসিব খান ও মাওলানা এনামুল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরহাদ কোরাইশী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফতাব উদ্দীন খান, মাওলানা হায়দার আলী, মুফতী আশরাফ হোসাইন ফুআদী, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা সায়েম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রেজওয়ান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা খলিলুল্লাহ মাহবুব, এম বশির আলী; প্রচার সম্পাদক মুফতী নোমান বিন আফসার, সহ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ ইয়াকুব আহমেদ; অর্থ সম্পাদক এম ফয়সাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মুফতী মারুফ হাসান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফায়েল আহমদ কামরান, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান, সাহিত্য সম্পাদক হাফিজ জুবায়ের আহমদ; সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিলদার হোসাইন; তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম ইমাম উদ্দীন এবং দপ্তর সম্পাদক হাফিজ আব্দুল কাদির, মাওলানা রুহুল আমিন মারজান, মাওলানা ফজলুল করিম, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা জিয়াউদ্দিন, মাওলানা লায়েক আহমদ, মাওলানা ফখরুল ইসলাম ইমরান প্রমুখ।
যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতার আবেগ ও শ্রদ্ধার স্থান। তিনি একজন শীর্ষস্থানীয় বুজুর্গ আলেম এবং মুরব্বি। সাংবাদিকতার নামে ইলিয়াস হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে বসে সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য দেশের সম্মানিত আলেম-উলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের টার্গেট করে বিষোদগার করে আসছেন। আমীরে হেফাজতকে নিয়ে তার সাম্প্রতিক বক্তব্য চরম ধৃষ্টতা, উগ্রতা এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “কোনো নীতিবান বা সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ একজন বর্ষীয়ান শায়খুল হাদিসের শানে এমন কুরুচিপূর্ণ ও নোংরা ভাষা ব্যবহার করতে পারে না।
ইলিয়াস হোসেনের এই হীন বক্তব্য কোটি কোটি তৌহিদী জনতার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে।
যুব জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ইলিয়াস হোসেনকে তার এই ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় এদেশের তৌহিদী জনতা ও যুব সমাজ সাইবার অপরাধ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিরুদ্ধে তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।


