সম্রাট রোবায়েতের অভিযোগ, তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম, মো. মিজানুল ইসলাম এবং তারেক আবদুল্লাহ মিলে চিহ্নিত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চালান। তাজুল ইসলাম আসামি ফজলে করিমের ছেলে ফারাজ করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে দেননি। অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গত সোমবার গণমাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রামের ওই মামলার বিষয়ে তাদের তদন্ত চলমান। তাই এ নিয়ে তাদের বেশি কিছু বলার সুযোগ নেই।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে চট্টগ্রাম-৬ আসনে (রাউজান) আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ-সদস্য ফজলে করিম চৌধুরী এখন কারাগারে আছেন। গত সোমবার এ মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল, তবে তা হয়নি। আগামী ১২ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য হয়েছে।
এদিকে ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিন করিয়ে দেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত তৎকালীন প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের উদ্যোগে গঠিত এই কমিটি ইতোমধ্যে দুটি বৈঠক করেছে। সাইমুম রেজা তালুকদার এরই মধ্যে প্রসিকিউটরের পদ ছেড়েছেন।
এদিকে গত ৯ মার্চ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সম্রাট রোবায়েত চিফ প্রসিকিউটর বরাবরে এক লিখিত আবেদন করেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ৯ মার্চ সকাল নয়টায় প্রসিকিউশন অফিসের কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রামের মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এই মামলার ২২ জন আসামির বিরুদ্ধে যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন সে বিষয়ে তিনি একমত। এতে তার কোনো আপত্তি নেই।


