সিলেটের রাজনীতিতে মহানগর বিএনপির আহবায়ক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেট নগর রাজনীতিতে সক্রিয় রাজনৈতিক । সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডে তার রয়েছে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক, গ্রহণযোগ্যতা এবং শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি ও নেতা কর্মিদের আস্থা রয়েছে।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এমদাদ হোসেন চৌধুরী দিনের পর দিন, রাতের পর রাত নিরলস’ভাবে ছুটে চলেন সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে। তিনি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির রাজনীতিক নন—ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, দিনমজুর, রিক্সাচালক থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ডাকে তিনি সাড়া দেন সমানভাবে।
ব্যক্তিগত সমস্যা হোক বা সামাজিক সংকট—মানুষ তার পাশে এমদাদ হোসেন চৌধুরীকে সবসময় কাছে পেয়েছেন ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট মহানগরের রাজনীতিতে তার শক্ত অবস্থানের মূল কারণ হচ্ছে মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা। তিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং বছরের ৩৬৫ দিন জনগণের পাশে থাকার রাজনীতি করেন,যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
বিএনপির মেয়র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে শক্ত অবস্থান আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মেয়র প্রার্থী হিসেবে এমদাদ হোসেন চৌধুরীর নাম ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
দলীয় একাধিক সূত্র এবং মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের ও সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি থেকে যদি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন,এমন প্রত্যাশা দলের ভেতর ও বাইরে উভয় জায়গাতেই প্রবল।
তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ এমদাদ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। তাদের মতে, সিলেট সিটির উন্নয়ন, নাগরিক সেবা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি একজন যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
জনগণের আস্থা ও জনপ্রিয়তাই বড় শক্তি
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন- এবারের মেয়র পদে দেখতে চান, এমদাদ হোসেন চৌধুরী,সব চেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার মানবিকতা ও সহজপ্রাপ্যতা।
একজন জনপ্রতিনিধি কেমন হওয়া উচিত—তার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে তারা তাকে দেখেন।
সিলেট নগরীর বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে সব সময় ।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এমদাদ হোসেন চৌধুরীকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনা বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি মনোনয়ন পান কি না।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—মনোনয়ন পেলে সিলেটের মেয়র নির্বাচনে তিনি হবেন অন্যতম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।


