শরীফ গাজী:”যন্ত্র” সঙ্গীত শব্দ বলা যতটা সোজা মনে হলে আসলে বাস্তবে শিখতে গেলে বুঝা যায় কতটা কঠিন। সঙ্গীতের জাদুতে আচ্ছন্ন হন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই দায়। কোমল আর নির্দয় যে-ই হোক না কেন প্রত্যেকেই সুরের পূজারী। কেননা, সুর ও সঙ্গীত হচ্ছে অন্তরাত্মার সংযোগ, হৃদয়ের টান বলা যায়। সঙ্গীতই মনের পরিশুদ্ধি আর প্রশান্তির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। বাঙালির রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী অনন্য সংস্কৃতির আলোকিত গৌরব।
নানা বৈচিত্র্যেঘেরা এই লোকসংস্কৃতি বাঙালিকে করেছে ঐশ্বর্যমণ্ডিত। যার অন্যতম হচ্ছে দেশের আনাচে কানাচে ছড়ানো ছিটানো বর্ণিল সুরের বাহার। শুধু কণ্ঠে ধ্বনিত সুরই নয়, বহুমাত্রিক বাদনযন্ত্রের মোহনীয় সুর জড়িয়ে আছে এই জাতির যাপিত জীবনের পরতে পরতে। সে অর্থে বলা যায় বাঙালি বাদ্যপ্রিয় জাতি। এই বাদ্য বা সুর তথা সঙ্গীত যেমনি করে আমাদের সংস্কৃতির সর্বক্ষেত্রে বিস্তার করেছে তেমনি করে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে একাকার হয়ে। সঙ্গীতের কথা ভাবতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ‘একতারা’, ‘দোতারা’, ‘মন্দিরা’, ‘ঢোল’, ‘বাঁশি’ আরো কতো কী। যে যার পছন্দের মত বেঁচে নেয়, আর তার মনের মত করে সাজায় আর সাধনা করে বছর পর বছর,দিয়ে এসেছে মানুষের জীবনে বিনোদন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আর সেক্ষেত্রে সঙ্গীত হল মানুষের জীবনে একটি অন্তরজাল হিসেবে বাস করে, যেখানে মানুষ তার অস্তিত্ব খুঁজে পায় সেটা হল সংগীত,- জানা যাকসিলেটের সঙ্গীত অঙ্গনের যন্ত্রশিল্পীর কথা- সুদীপ চক্রবর্তী’,ভাই বোনের মধ্যে সে ছোট ছিলেন, লেখা পড়াতেও ভালোই বলা চলে। সে ছোট্ট বেলায় থেকে গানের জগতে এসেছিলেন বাবার হাত ধরে,তিনি কিনে দিয়েছিলেন একটি হারমুনিয়াম সেই হারমুনিয়াম দিয়ে শুরু গানের চর্চা ।
প্রথম গানের টিচার ছিলেন -শ্যামলী ভট্টাচার্য, উনার হাত ধরে প্রথম শিক্ষা শুরু। এর পর থেকে শুরু হয় তার মিউজিসিয়ান হওয়ার অনুদার হাত ধরে এই সঙ্গীত লাইনে আসা। শুরু হয় যন্ত্রসঙ্গীত চর্চা- সেই থেকে তার পথ চলা সুদীপ চক্রবর্তী’র।
জানতে চাইলে বলেন- সিলেট নিউজ টাইমস্ কে জানান,বিপ্রতীপ ব্যান্ড থেকে প্রথম গানের মিউজিক কম্পোজিশন শুরু হয়। তবে সিলেটের সব ধরনের গান মিউজিক কম্পোজিশন করে থাকেন।
অশ্লীলতা কে পাশ কাটিয়ে কিভাবে সিলেটের আধ্যাত্মিক গান গুলো আন্তর্জাতিক ভাবে কিভাবে পৃথিবীকে দেখানো যায় সেটাই সুদীপের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
যদিও সিলেটের সঙ্গীত নিয়ে ব্যস্ততা প্রচুর, তার পরেও তিনি সবার কাছে দোয়া ও আর্শিবাদ চেয়েছেন আল্লাহ পাক যেন তাকে সেই সক্ষমতা দেন।


