সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, মাদরাসা শিক্ষা আমাদের সমাজে অত্যন্ত সম্মানজনক একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে শিশুদের শেখানো হয় ইমান, আক্বিদা, নৈতিকতা এবং আল্লাহভীতি। একজন মাদরাসার শিক্ষক শুধু শিক্ষক নন—তিনি একজন পথপ্রদর্শক, একজন আদর্শ। কিন্তু যখন সেই পবিত্র দায়িত্বে থাকা কেউ নিজেই শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ভঙ্গ করে, তখন তা শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি পুরো সমাজের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।
বুধবার (৬ মে) সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে সংক্ষুব্ধ নাগরিকের আন্দোলনের সভায় বক্তারা একথা বলেন। মদনে মাদরাসা শিক্ষক কর্তৃক শিশু শিক্ষার্থীরে ধর্ষকের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশ পরিচালনা করেন সংস্কৃতিকর্মী এমএসএ মাসুম খান।
সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের মুখ্য সচিব আব্দুল করিম কিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের পরিচালক সামসুল বাসিত শেরো, বাসদ সিলেট জেলা আহবায়ক কমরেড আবু জাফর, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেবব্রত রায় দিপন, কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক জান্নাত আরা খান পান্না,ঐতিহ্য সংরক্ষন পরিষদের রেজাউল কিবরিয়া লিমন, চারন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নাজিকুল ইসলাম রানা,বাসদ ( মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস,সংবাদকর্মী সন্দিপন শুভ, নাট্যকর্মী এখলাস আহমদ তন্ময়, নৃত্যশিল্পী শচিন চন্দ্র দীপঙ্করসহ প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, একজন নিষ্পাপ শিশুর প্রতি এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি ইসলাম, মানবতা এবং আইনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অপরাধ। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—এই ধরনের অপরাধীর কোনো পরিচয়, কোনো অবস্থান, কোনো পোশাক তাকে রক্ষা করতে পারে না।
বক্তারা বলেন, মাদরাসা হোক বা যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার আগে। অভিভাবক, প্রশাসন ও সমাজ—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব এই পরিবেশকে নিরাপদ রাখা। সুতরাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন নিকৃষ্ট কাজ করার সাহস না পায়।
শিশু ধর্ষক মাদরাসা শিক্ষকের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সিলেটে সমাবেশ
কমেন্ট
