মেসার্স আতিক হোসেন, মেসার্স জনপ্রিয় ফ্লাওয়ার মিলের স্বত্ত্বাধিকারী, দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সাবেক সহ সভাপতি, সিলেট কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা পাথর আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি মোঃ আতিক হোসেন মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে সিলেটের স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘গোয়াইনঘাটে অবৈধ ইট ভাটা স্থাপন ও কৃষি জমি খনন করে পরিবেশ ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে তথ্য ও বক্তব্য পরিবেশন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদ এবং কথিত মানববন্ধনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, গোয়াইনঘাটে উক্ত এলাকায় আমার কোনো ইটভাটা নাই এবং নতুন কোনো ইটভাটা স্থাপন করার উদ্যোগও আমি গ্রহণ করি নাই। আমি ওই এলাকায় একটি জনকল্যাণমুখী ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক কৃষি খামার (ফার্ম) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গোয়াইনঘাট থানার পেকেরখাল মৌজাধীন প্রায় ৫ একর জমি ক্রয় করি। খামারের উপযোগী অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় মাটি খনন ও ভরাট কার্যক্রম করার ক্ষেত্রে এলাকার কিছু সংখ্যক স্বার্থান্বেষী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আমার নিকট চাঁদা দাবি করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আমি তাদের অনৈতিক দাবিতে সাড়া দিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা জোরপূর্বক আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ বন্ধ করে দেয় এবং প্রতিনিয়ত আমাকে ফোনে হুমকি-ধমকি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।
প্রকৃতপক্ষে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ওই চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল ও চাঁদাবাজরা সংঘবদ্ধ হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে মিথ্যা প্রলোভন ও ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে এই সাজানো মানববন্ধনের আয়োজন করেছে। একটি এলাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কৃষি খামার গড়ে উঠলে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটে। এলাকার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সাধারণ মানুষ সবসময়ই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেন। কিন্তু একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল শুরু থেকেই এলাকার লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে আমার জনকল্যাণমুখী এ উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করে আসছে।
আমি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মসজিদ কমিটি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অবহিত করি এবং তাঁদের সহযোগিতা কামনা করি। এতে ওই চাঁদাবাজরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার মেম্বার নামক এক চাঁদাবাজের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে আমাকে নানামুখী হয়রানি শুরু করে। পরবর্তীতে আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে নিরুপায় হয়ে গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করি (মামলা নং- ৮২/২০২৬ইং)। মূলত এই মামলার সূত্র ধরেই আক্রোশবশত তারা এই মিথ্যা ও বানোয়াট মানববন্ধনের নাটক সাজিয়েছে।
আমি এই মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি ও সুষ্ঠু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: চাঁদাবাজদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আতিক হোসেনের নিন্দা
কমেন্ট
