জমকালো আয়োজনে তপোবনে ১ম দ্বৈত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

খেলাধুলা ডেস্ক :  তপোবন যুব ফোরাম কতৃক আয়োজিত ১ম দ্বৈত ব্যাডমিন্ট টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৪ জানুয়ারি)  রাতে তপোবন সংলগ্ন মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সমাজ বিষয়ক সম্পাদক, সিসিকের ৯নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এডভোকেট মোঃ আজিম উদ্দীন।

তপোবন হাউজিং কল্যাণ সমিতির সভাপতি, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল মুহিত চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও তপোবন যুব ফোরামের সভাপতি মোঃ আবু জাবের এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েল ট্রাভেল লিংক “এর সত্তাধিকারী রেনেসাঁ যুব কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আব্দুল্লাহ এ মাসুম, বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো: কামাল উদ্দিন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তপোবন জামে মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ মাইদুল ইসলাম জুয়েল, ফোরামের সাবেক সদস্যসচিব মাজিদুর রহমান মাসুম, সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মাহফুজ হাসান খান মিসবাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজুল হোসেন রাফাত, অর্থ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মুমিত, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ উমায়ের আলম সরকার, সদস্য মিফরাত হোসেন চাহাত, মুহিত, এমদাদুল হক হাছান, মো: আমিন, হাবিব, মেহেদী প্রমুখ।

মেগা ফাইনাল খেলায় দুটি দল অংশগ্রহণ করে রাফাত এবং রাদী বনাম চাহাত এবং আমিন। রাফাত এবং রাদী ১২ পয়েন্ট ও চাহাত এবং আমিন ১৫ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় লাভ করে।

খেলাটি পরিচালনা করেন মো: মিজানুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এড.মো: আজিম উদ্দীন বলেন, “সুস্থ থাকতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে, তেমনি মনকেও প্রফুল্ল রাখে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।” উপাচার্য একটি চমৎকার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্ট উপহার দেওয়ার জন্য অংশগ্রহণকারী সকল দল, ছাত্র ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ভবিষ্যতে এ ধরণের আয়োজনসহ যেকোনো প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলেও উপাচার্য আশ্বাস প্রদান করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মুহিত চৌধুরী  বলেন, তরুণদের শৈশব থেকেই সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। তাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি দেশপ্রেম তৈরি করতে হবে। তরুণরাই আগামী দিনে রাষ্ট্র মেরামতে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। এজন্য তাদেরকে শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সফলতা দেখিয়ে নিজেদেরকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *