বুদ্ধিজীবী হত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও কলঙ্কিত অধ্যায়: খন্দকার মুক্তাদির

সিলেট-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী ও দেশীয় দোসররা গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যেই তারা এই নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাদের লক্ষ্য ছিল-এই দেশকে চিরতরে দুর্বল ও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তাদের সেই ঘৃণ্য স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ আজ স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় ১৮ কোটি মানুষ একটি সত্যিকার সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে। আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছি-আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিকে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

 

তিনি বলেন, ১৪ ডিসেম্বর আমাদের শিখিয়েছে, আমরা মাথা নত করার জাতি নই; আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জাতি। আমাদের সংকল্প দৃঢ়, আমাদের বিশ্বাস অটুট। আমরা চাই এই বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি উন্নত, আধুনিক ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আগামী দিনে যিনি নেতৃত্ব দেবেন বলে আমরা আশাবাদী, তিনি হচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি রোববার (১৪ ডিসম্বের) বেলা ২টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে নগরীর চৌহাট্টাস্থ শহীদ বৃদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, রহিম মল্লিক, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, লুৎফুর রহমান মোহন, সৈয়দ লোকমানুজ্জামান, সৈয়দ রহিম আলী রাশু, নজির হোসেন, আক্তার আহমদ। এছাড়াও বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *