বাংলাদেশ গহীন অন্ধকারে, অন্ধকার থেকে আলোতে আনতে হবে: মোহাম্মদ বাদশা গাজী

সময় গেলে সাধন হবে না বাংলার জনগণ! বাংলাদেশ আজ এক গহীন অন্ধকারে নিমজ্জিত। ম্যাটিকুলাস প্ল্যান এর দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের বাস্তবায়ন হচ্ছে আর আপনি ঘুমিয়ে কিসের মোহে!! যখন আপনার ঘুম শেষ হবে তখন জেগে দেখবেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের চাবি আপনার হাতে নেই। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ চাবির গোছা ৮৫ ভাগ হস্তান্তর করে ফেলেছে ইউনূস নামের এক মহাপাপি মহা শয়তান ও তার দলবল। উদাহরণ দিতে গেলে কয়েক লক্ষ কোটি শব্দ লিখে শেষ করা যাবে না।

লেখার মুল কথায় আসি, গত দুইদিন আগে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ভারত সফর, ভারত সরকার ভয়ংকর সব তথ্য প্রমাণ হস্তান্তর করেছে।
বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সরকার ও তাদের স্থানীয় দোসর, একাত্তরের পরাজিত শকুনদের ফরমায়েসী রায়।দিল্লীর বোমা হামলা ও জঙ্গিবাদ নিয়ে ভারতের কঠোর আল্টিমেটাম!
এছাড়া এ মিটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ছিলো নজিরবিহীন ঘটনা। যা ইতিহাসে বিরল।

সে সভায় দিল্লির হাতে জঙ্গিবাদের প্রমাণ, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতে হামলার ছক কষা হচ্ছে—এমন অভিযোগ ভারত গত এক দেড় বছর আগে থেকে করে আসছে। তাই ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ‘ডসিয়ার’ বা প্রমাণপত্র হস্তান্তর। যা বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশ জঙ্গিদের রাষ্ট্রের তকমা দিতে আনুষ্ঠানিকতার ৯০ ভাগ এগিয়ে নিয়ে নিয়েছে আমেরিকান এজেন্টরা।
জঙ্গিদের কার্যক্রম ও হাসিনা ইস্যুতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বির্তকিত মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সতর্কবার্তা বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য।

ভারত সরকারের তথ্য প্রমাণ, আইএসআই ও জঙ্গি যোগসাজশ, স্যাটেলাইট ইমেজ ও ডিজিটাল রেকর্ডসহ বাংলাদেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সক্রিয়তার অভিযোগ।

এই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ ও ভারতীয় সেনা উপস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নজিরবিহীন অংশগ্রহণ ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ঢাকাকে কড়া বার্তা দিয়েছে ভারত সরকার।
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও বাংলাদেশের বিশেষ প্রতিনিধি নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের মধ্যকার এই বৈঠকে জঙ্গিবাদ দমন এবং শেখ হাসিনার বিচার ইস্যুতে ভারতের অবস্থান ছিল অত্যন্ত কঠোর, যা কার্যত আল্টিমেটামের রূপ নিয়েছে।

বৈঠকের সবচেয়ে উত্তপ্ত বিষয় ছিল আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ। ভারত অভিযোগ করেছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে আর বাংলাদেশ সরকার তা প্রশ্রয় দিচ্ছেন। অজিত দোভাল অভিযোগের স্বপক্ষে খলিলুর রহমানের হাতে একটি সুনির্দিষ্ট ‘ডসিয়ার’ বা প্রমাণপত্র তুলে দেন। এই নথিতে জঙ্গিদের গোপন আস্তানা, ডিজিটাল যোগাযোগ রেকর্ড, স্যাটেলাইট ইমেজ এবং ধৃত জঙ্গিদের জবানবন্দি রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বাংলাদেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে।

নিরাপত্তা ইস্যুর বাইরেও রাজনৈতিক আলোচনায় বড় ছায়া ফেলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ। একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের খবরে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বা তার বিরুদ্ধে কঠোর কোনো রায় নিয়ে ভারত চরম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বৈঠকের এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখা যায়, যেখানে অজিত দোভাল ও খলিলুর রহমানের সাথে যোগ দেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের দুই শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা। সেখানে নিরাপত্তা ইস্যুর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি ‘ইনক্লুসিভ’ বা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তৃতীয় কোনো দেশের রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি কূটনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ সরকার কি করে।
বৈঠক শেষে খলিলুর রহমান দ্রুত ঢাকা ফিরে আসলেও, ভারতের দেওয়া এই ডসিয়ার এবং রাজনৈতিক বার্তা ঢাকার জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি ও চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন, বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক সমাজ। বর্তমান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সরকার তেমন কিছুই করবেন না, সেটা নিশ্চিত ইউনূস সরকার ম্যাটিকুলাস প্ল্যান বাস্তবায়ন করার মিশনে ব্যাস্ত, এই প্ল্যান যে বাংলাদেশ ধ্বংস করার বীজ সেটা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বুজে গেছে।, যা করার দেশের নাগরিকদের করতে হবে। এবং দেশের নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। আর বেশি দেরী করা যাবে না। কারণ এখন বাংলাদেশের সামনে গহীন অন্ধকার। বাংলাদেশকে এই অন্ধকারের থেকে আলোতে আনতে হবে।

লেখক: মোহাম্মদ বাদশা গাজী, কবি, সাংবাদিক ও সংগঠক। ২১|০১১|২০২৫ইং শুক্রবার।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *