সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে সবাই বিএনপি। যারা অতিরিক্ত বিএনপি বিএনপি করে তারা প্রকৃতপক্ষে বিএনপি নয়, তারা দোসর, সুবিধাভোগী। সুবিধা নেওয়ার জন্য তারা বিএনপির পতাকাতলে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করছে। সুতরাং যেখানেই অপকর্ম হতে দেখবেন এবং বিএনপির কথা বলবে- তাৎক্ষণিক তাদের গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আহবান জানান।
তিনি গোপালজিউ আখড়ার জায়গা দিপক রায়সহ ভূমিখেকো চক্রের দখলের প্রতিবাদে গতকাল টিলাগড়স্থ গোপালটিলা দূর্গা মন্দিরে সাধারণ সভা ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠিতব্য প্রতিবাদী সাধারণ সভায় ও মানববন্ধনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্যে রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাষ্টি ও সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সুদিপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, গোপালটিলা ভূমি আত্মসাৎ প্রতিরোধ আন্দোলন কমিটির আহবায়ক এবং পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন।
এলাকার প্রবীণ মুরব্বী কানুলাল চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও গোপাল জিউ আখড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য পলাশ চক্রবর্তী এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক টিটন মল্লিকের যৌথ পরিচালনায় সাধারণ সভা শেষে মন্দিরের সম্মুখের প্রদান রাস্তায় আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গোপালজিউ আখড়ার ভূমি দখলকারী দিপক রায় দিপুসহ সকল ভূমিখেকো চক্রের হাত থেকে দখলকৃত দেবত্ব সম্পত্তি উদ্ধার এবং জড়িতকারীদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরদাবী জানান। অন্যথায় সিলেটের সর্বস্থরের জনসাধারণকে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী জানান। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট্র প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানালেও এখন পর্যন্ত বিহীত ব্যবস্থা না নেওয়ার উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও উক্ত দেবত্ব ভূমিতে দিপক রায় দিপুসহ অন্যান্য ভূমিখেকো চক্র আইন অমান্য করে ভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। এই সকল ভূমি দখলকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দখলকৃত স্থাপনাগুলো উচ্ছেদের দাবী জানান। এ ব্যাপারে সিলেট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট্রদের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান বক্তারা।
অন্যানদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন গোপালজিউ আখড়া পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী কর পুরকায়স্থ সজল, মহানগর বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লুৎফুর রহমান মোহন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজীব দে রাজু, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মলয় ধর, মহানগর প্রজন্ম দলের যুগ্ম আহবায়ক সুমন চক্রবর্র্তী, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ঝলক বৈদ্য, মহানগর বিএনপির সাবেক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের গণসংযোগ সম্পাদক উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রণি পাল, ১৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহবায়ক কনক কান্তি দাস, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বক্তব্যে রাখেন দুলন দেব, পবিত্র দেবনাথ, সুমন দত্ত। গীতা পাঠ করেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্ত্তী। সভা ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পরিমল চন্দ, কুশী লাল ভৌমিক, সুধাশু সোপান দে, সাধন পাল, রমা কান্ত দে, রঞ্জন চক্রবর্তী, ডা. অমিনাংশু দাস, বিধান পাল, স্বপন পাল, হরিদাস মল্লিক, সঞ্জিত কর, সুমথ পাল, বেনু দেব, বুলবুল দেব, দিগেশ দেবনাথ, সুনিল মল্লিক, দ্বিপক চন্দ, সঞ্জু কুমার দাস, বিথীন্দ্র দে, অমল সেন, সেতু দেবনাথ, রিপন পাল, শুভ্র রায়, স্বপন রায়, ঝন্টু মল্লিক, নিটু দে, রাজু দেব প্রমুখ।-বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠিতব্য প্রতিবাদী সাধারণ সভায় ও মানববন্ধনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্যে রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাষ্টি ও সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সুদিপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, গোপালটিলা ভূমি আত্মসাৎ প্রতিরোধ আন্দোলন কমিটির আহবায়ক এবং পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন।
এলাকার প্রবীণ মুরব্বী কানুলাল চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও গোপাল জিউ আখড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য পলাশ চক্রবর্তী এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক টিটন মল্লিকের যৌথ পরিচালনায় সাধারণ সভা শেষে মন্দিরের সম্মুখের প্রদান রাস্তায় আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গোপালজিউ আখড়ার ভূমি দখলকারী দিপক রায় দিপুসহ সকল ভূমিখেকো চক্রের হাত থেকে দখলকৃত দেবত্ব সম্পত্তি উদ্ধার এবং জড়িতকারীদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরদাবী জানান। অন্যথায় সিলেটের সর্বস্থরের জনসাধারণকে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী জানান। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট্র প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানালেও এখন পর্যন্ত বিহীত ব্যবস্থা না নেওয়ার উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও উক্ত দেবত্ব ভূমিতে দিপক রায় দিপুসহ অন্যান্য ভূমিখেকো চক্র আইন অমান্য করে ভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। এই সকল ভূমি দখলকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দখলকৃত স্থাপনাগুলো উচ্ছেদের দাবী জানান। এ ব্যাপারে সিলেট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট্রদের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান বক্তারা।
অন্যানদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন গোপালজিউ আখড়া পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী কর পুরকায়স্থ সজল, মহানগর বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লুৎফুর রহমান মোহন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজীব দে রাজু, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মলয় ধর, মহানগর প্রজন্ম দলের যুগ্ম আহবায়ক সুমন চক্রবর্র্তী, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ঝলক বৈদ্য, মহানগর বিএনপির সাবেক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের গণসংযোগ সম্পাদক উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রণি পাল, ১৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহবায়ক কনক কান্তি দাস, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বক্তব্যে রাখেন দুলন দেব, পবিত্র দেবনাথ, সুমন দত্ত। গীতা পাঠ করেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্ত্তী। সভা ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পরিমল চন্দ, কুশী লাল ভৌমিক, সুধাশু সোপান দে, সাধন পাল, রমা কান্ত দে, রঞ্জন চক্রবর্তী, ডা. অমিনাংশু দাস, বিধান পাল, স্বপন পাল, হরিদাস মল্লিক, সঞ্জিত কর, সুমথ পাল, বেনু দেব, বুলবুল দেব, দিগেশ দেবনাথ, সুনিল মল্লিক, দ্বিপক চন্দ, সঞ্জু কুমার দাস, বিথীন্দ্র দে, অমল সেন, সেতু দেবনাথ, রিপন পাল, শুভ্র রায়, স্বপন রায়, ঝন্টু মল্লিক, নিটু দে, রাজু দেব প্রমুখ।-বিজ্ঞপ্তি
কমেন্ট

