ছাতকে জামাত ও বিএনপির যৌত হামলায় ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল গুরুতর আহত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটে ও সুনামগঞ্জের ছাতকে, জামাত ও বিএনপির দুই দফায় যৌত হামলায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আহমদ জিলু গুরুতর আহত হয়ে, সিলেট এমএজি ওসমানী কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

হামলায় আহত মোহাম্মদ জুয়েল আহমদ জিলু, সুনামগঞ্জ জেলার, ছাতক উপজেলার ঘিলাছড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইছবর আলী ও ছায়েদা খাতুনের ছেলে। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ঘটনার বিবরণে জানান, ১৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ঘিলাছড়া গ্রামের প্রধান সড়কে, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাতক উপজেলার ছাত্র লীগের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ জুয়েল আহমদ জিলুর উপর হামলা হয়েছে, তবে জুয়েলের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। জুয়েলকে আটক করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ হামলার ব্যাপারে মোবাইল ফোনে আহত মোহাম্মদ জুয়েল আহমদ জিলুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে চলে যাওয়ার পর ১৫ই আগস্ট ২০২৪ ইং সকাল ১০ ঘটিকায় আমি ঘিলাছড়ার বাড়ি থেকে আমার মটর বাইক নিয়ে বের হই, আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। আমি মটর বাইক ড্রাইভ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে, মধ্যপথে রাস্তায় প্রায় ১৫-২০ জনের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী যারা ছাত্র আন্দোলনকারি জামাত শিবির ও বিএনপি নেতাকর্মী আমার উপর হামলা চালায়, তারা আমাকে প্রানে মারার জন্য এক বিশেষ কৌশল করে আমার গলা বরাবর দা দিয়ে কোপ দিতে গেলে আমি তখন আমার বাম হাত দিয়ে ধারালো দার কুপ ফেরানোর চেস্টা করলে আমার বাম হাত ধারালো অস্ত্রের কোপে বেশ অংশ মারাত্মকভাবে কেটে যায় এবং সাথে সাথে আমার মাথায় দা দিয়ে কোপ মারতে থাকে, তাতে আমার মাথায় আঘাত লাগে। সন্ত্রাসীরা মাটিতে ফেলে মারধর করতে থাকে। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে, সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় আমাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।
জামাত বিএনপিরা সন্ত্রাসীরা খবর পেয়ে ঐদিন দুপুর ১টার দিকে আমাকে পুলিশে দেয়ার জন্য মেডিকেলের ভিতরে মব সৃষ্টি করে। পুলিশ নিয়ে এসে আমাকে আটক করার চেষ্টা করে। পুলিশ ও মব থেকে বাঁচার জন্য, আমার পরিবারের সহযোগিতায় আমি মেডিকেল থেকে আত্বগোপনে চলে যাই।
পরের দিন ১৬ আগস্ট শুক্রবার আমি গোপনে চিকিৎসা নিতে মেডিকেলে গেলে, সন্ত্রাসীরা আমাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেয় এবং পুলিশকে খবর দেয়।

আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা ঘটনা অনুমান করে, অল্প কিছু মেডিকেল কাগজপত্র (প্রেসক্রিপশন) নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে জীবন রক্ষা করি।

এরপর থেকে জামাত বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাকে মোবাইল নম্বর একের পর এক হুমকি ধামকি দিতেই থাকে এবং পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার অনেক চেষ্টা করে। মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি এবং আমাকে প্রানে মারার হুমকি দিয়ে আসছে। তারা আমাকে যেখানেই যে অবস্থায় পাবে সেখানে আমাকে হত্যা করবে হুমকি দেয়।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *