সিলেট জেলা মহানগর তাঁতী লীগের কমিটিতে জামায়াত শিবির ছাত্রদলের কর্মীরা স্থান পেয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:: সদ‍্য ঘোষিত সিলেট জেলা ও মহানগর তাঁতী লীগের বিরুদ্ধে জামায়াত শিবির বিএনপি ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা স্থান পেয়েছে বলে বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহানগর সভাপতি নোমান আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজন দেবনাথ এর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, অস্ত্র মাদক ও দেহ ব‍্যবসার সাথে জড়িত বলে লিখিত অভিযোগসহ একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৪ জানুয়ারি ঘোষিত মহানগর তাতীলীগের কমিটির ১ নং সহসভাপতি মির্জা সোয়েব আহমদ, ছাত্র মজলিস নেতা ও নারী শিশু নির্যাতন মামলার আসামী। সহসভাপতি আজহারুল ইসলাম মোমিন,এক সময় ছাত্র শিবির ও পরে ছাত্রদল করতো, তার পিতা নজরুল ইসলাম বাবুল বিএনপির নেতা ও তাতী দলের সিনিয়র সহসভাপতি ও বর্তমানে জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ফিজা এর মালিক। সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম চৌধুরী মুবিন শাহী ঈদগাহের সাবেক ছাত্রদল নেতা, এবং ১১নং সহ-সভাপতি আমিনুল হক রানা ছাত্রদলের সাবেক নেতা এবং ১৯ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর ও বি,এন,পি নেতা দিনার খান হাসু এর ক্যাডার ছিল । ১ নং যুগ্ম সম্পাদক কামারুজজান কামরুল, শিবির কর্মী, কামরুজ্জামান কামরুল কে তার কর্ম তৎপরতার পুরস্কার স্বরুপ জামায়াত শিবিরের বায়তুল মাল থেকে ব‍্যবসার মোটা অংকের অনুদান দেওয়া হয়।
১ নং সাংগঠনিক সম্পাদক সপু আহমদ একসময়ে শিবির করতো, পরে ছাত্রদলের কর্মী এবং ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি। মীরা বাজারে ডাকাতি করার সময় র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছিল, মামলা চলমান।

উক্ত মামলায় এই কমিটির আরো ছয় থেকে সাতজন জড়িত। বন ও পরিবেশ সম্পাদক পারভেজ আহমদ রাজু একাধিক ডাকাতি ছিনতাই মামলার আসামী ও ছাত্রদলের কর্মী।
প্রশিক্ষণ সম্পাদক কয়েছ আহমদ সাগর একসময়ে শিবির করতো, পরে ছাত্রদল করতো, ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি। মীরা বাজার ডাকাতি কালে র‍্যাবের হাতে আটক হয় এবং ছিনতাই মামলার আসামী। সদস্য আব্দুল মোমিন সহ একাধিক সদস্য শিবির কর্মী বলে অভিযোগ উঠছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁতী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শওকত আলীকে একাধিকবার মোবাইল ফোন করার পরও ফোন ধরেননি। সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ বলেন, কেউ আমাদের আদর্শ বিশ্বাস করে তাহলে তাকে কমিটিতে রাখা যায়। তার অতীত কোন বিষয় নয়। তাছাড়া দল করতে হলে আর্থিক সামর্থ থাকতে হয়। তবে কমিটি দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক কোন লেনদেনের তথ‍্য সম্পূর্ন মিথ‍্যা। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, অভিযুক্ত কাউকে তিনি চিনেন না। সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন তাঁতী লীগের তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি। এ বিষয়ে আমার সাথে কেউ কোন যোগাযোগ করেননি।
ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ফোন করার ফোনে পাওয়া যায়নি। মুহিদুর রহমানের একাধিক নম্বর সংগ্রহ করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি সবগুলো নম্বর বন্ধ পাওয়া যায় ।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published.