ঘাসিটুলা মসজিদের জমি রক্ষায় মানববন্ধন: প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা

2 total views, 2 views today

সিলেট নিউজ টাইমস্ ডেস্ক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১০নং ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা বড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীদের আয়োজনে ভূমিখেকো আফসর আজিজ গংদের হাত থেকে ঘাসিটুলা জামে মসজিদের ভূমি রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনায় এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম’আ অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে হাজারো মুসল্লী অংশগ্রহণ করেন।

মসজিদের মোতাওয়াল্লী হাজী মো. সামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জিলাল উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে মুসল্লীরা বলেন- মসজিদ আল্লাহর ঘর, এই ঘরের পবিত্রতা রক্ষা করা সকলের ঈমানী দায়িত্ব। ঘাসিটুলা বড় জামে মসজিদের ৬২ বছরের দখলীয় ভূমি সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসর আজিজ গং কর্তৃক যে দিন দখল করা হয়েছে, সে দিনই ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা উক্ত ভূমি পুনরুদ্ধার করতে পারতেন। কিন্তু ইসলাম শান্তি ও সাম্যের শিক্ষা দেয় বিধায় শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে আমরা কোন ঝোট জামেলায় না গিয়ে আইনের দারস্ত হয়েছি এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধান করতে চেয়েছি। কিন্তু তারপরও ভূমি খেকো, দখলবাজ আফসর আজিজ গং রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে মসজিদের ভূমি দখল করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছেন।

মুসল্লীরা আরো বলেন, ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা ইচ্ছে করলে যে কোন ত্যাগের বিনিময়ে যে কোন মুহুর্তে মসজিদের পবিত্র ভূমি উদ্ধার করতে পারে। কিন্তু আমরা কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অশান্তির পরিবেশ চাই না। তাই সময় থাকতে সম্মান বাঁচিয়ে মসজিদের ভূমি অবিকল অবস্থায় মসজিদকে সমজিয়ে দেওয়ার জন্য বলছি, অন্যতায় যে কোন অনভিপ্রেত ঘটনার দায়ভার ভূমি খেকো ও দখলবাজদের বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ বৃহত্তর ঘাসিটুলা এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মসজিদ কমিটির সহ-সেক্রেটারি মো. আব্দুল মতিন, ক্যাশিয়ার মো. মানিক মিয়া, সহ-ক্যাশিয়ার মো. হাবিবুর রহমান, সদস্য মো. জিলাল উদ্দিন, মো. এখলাছুর রহমান, মো. শাহজাহান, মো. সুহেল মাহমুদ, মো. সামছুদ্দীন, মো. জামাল উদ্দিন, মো. হেলাল মিয়া, মো. সিরাজ মিয়া, মো. আবুল কালাম, মো. আব্দুর সাত্তার, মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, ১৯৫৭ সালে ঘাসিটুলার স্হানীয় বাসিন্দা রহিম বক্স ওয়াকফ দলিল মূলে ঘাসিটুলা মসজিদে ১৫ শতক ভূমি দান করে যান। দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে এ ভূমির রক্ষণাবেক্ষণও মজসিদ করে আসছে।

কমেন্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.