সুনামগঞ্জ সদরে ধান কাটতে শ্রমিক সংকট চরমে

শাফি উদ্দিন ফাহিম:: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা হাওর পরিবেষ্টিত নিম্ন অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।গত তিন বছর ফসলের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হয় অকাল বন্যায়৷ বর্গা চাষীরা অনেক কষ্টে ফসল ফলায় প্রতি বিগা প্রতি খরচ ও বেড়েছে আগের তুলনায়৷

বিরল প্রজাতির কিছু ধান ও চাষ হয়েছে নতুন করে৷ সময় মত সার ও বীজ বাজারে পাওয়ায় ফসল উৎপাদনে অন্য সকল সময়ের চেয়ে বাম্পার ফলন হয়েছে দেখার হাওর, কাংলার হওয় গুলোতে৷ কিন্তু ধান কাটার উত্তম এই সময়ে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা৷  তারা টাকা দিয়ে ও শ্রমিক পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন৷

সারা জেলায় শ্রমিকদের একটি বড় অংশ বালু পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত,তার পরিপ্রেক্ষিতে যাতে ওই সময় ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া যায় এজন্য বালু পাথর উত্তোলন না করার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে এ ব্যপারে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু শ্রমিকরা সেই নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে বালু পাথর উত্তোলন ব্যস্থ সময় পার করায় শ্রমিক সংকট চরমে৷

এ ব্যাপারে হরিনাপাটি গ্রামের সচেতন তরুন তারেক আহমেদ বলেন,আমার জমিতে ভালো ফলন হয়েছে কাংলার হাওরে কিন্তু আমরা শ্রমিক সংকট চরমে থাকায় ধান কাটাতে পারতেছি না৷ এ ব্যাপারে প্রশাসন সহ সবার সহযোগিতা প্রয়োজন৷

আমবাড়ি বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, পাকা ধান আমরা শ্রমিক সংকটের কারনে কাটাতে পারছি না৷ অনেক টাকা খরচ করে আমরা ফসল উৎপাদন করাই কিন্তু সময় মত না কাটাতে পারলে ধান উৎপাদনে আমাদের আগ্রহ কমে যাবে, তাই শ্রমিক সংকট সমাধানে প্রশাসনের সুদৃষ্টি দিতে হবে৷

কাঠইর ইউনিয়নের নারায়ন পুর গ্রামের কৃষক শ্যামল মিয়া বলেন, সময় মত ধান না কাটতে পারলে অতি বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে৷

কমেন্ট