“নায়াগ্রার অভিবাদন”

805 total views, 5 views today

।।নিলয় গোস্বামী।।

বিকেল হলেই আদ্রিজা উঠোনের পাশে ছোট্ট বাগানটাতে-আপন মনে বসে থাকে অনেক ক্ষণ।
আনমনে ফুলেদের বেড়েওঠা দেখে যায়-এটা তার অনেক দিনের অভ্যাস।গাছদের স্বরবৃত্তি আর এদের সামাজিক সম্পর্ক
অনেক গভীর ভাবে সে অনুভব করে।
সন্ধ্যে নামার পর- প্রর্থনার ধ্বনিতে মুগ্ধ করে তার ঈশ্বরকে।
কী যেন এক শুদ্ধ রূপে মুখরিত হয়ে যায় তার চারপাশ!
সময় আর চিত্ত দুটুকেই পবিত্র করে দেয়।
ম্যাকগেইল বিশ্ববিদ্যালয়ে এরোনটিক্যাল -এ স্নাতক প্রথম বর্ষে পড়ে সে।
ভীষণ মনোযোগী।
ক্লাসে চুপচাপ থাকে।
ক্লাসের বন্ধুরা তাকে তেমন একটা পছন্দ করেনা।
একমাত্র বাঙালি মেয়ে সে।
ফ্রেডলি আর মিশান দু’জন তার সহপাঠী।
এদের একজন ক্লাসের প্রথম দিন থেকেই তাকে খেয়াল করছে।
মিসান ইচ্ছে করেই তার পাশেপাশে থাকতে চাইতো।
আদ্রিজা এসব খেয়াল করার মতো মেয়ে নয়।
প্রথম যে দিন কথা বলতে চাইলো মিশান
-সে দিন আর পারলো না।
আদ্রিজা আসেনি ক্লাসে।বাড়িতে পূজা ছিল।
ও একটু অন্য চিন্তা নিয়ে জীবন কাটায়।
মিশান একে তো অবাঙালি- অন্যদিকে আদ্রিজার মতো মেয়ে!
পাশের বাড়ির সৌনক বেশ কয়েক বছর ধরে আদ্রিজা কে দেখে আসছে।
নিজের সুবিধা মতো কোনো একদিন জানালেই হলো-এমন ধারণা নিয়ে সে বসে আছে।
ক্লাসে মিশান, আদ্রিজাকে দেখেই পাশাপাশি বসলো।
ফ্রেডলি মিশানের ভাল বন্ধু।সে মিসানের কৌতুহলকে
স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারেনি। একে তো সে ভিন্নদেশীয়- আবার তার কাজিন ভালবাসে মিশানকে।
ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদ্রিজার উপস্থিতি ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো।
শিক্ষকদের গভীর প্রশ্নের উত্তর দেয়া শুরু করে আদ্রিজা।
সবার চোখে পড়ে যায় সে।
এরোনটিক্যালে একমাত্র এশিয়ান স্টুডেন্ট সে।
জীবনের প্রতিটা কাজ সে গুছিয়ে করে। স্নাতকের বিষয়গত জ্ঞান গভীর ভাবে নিচ্ছে;
শিক্ষকরা তা বুঝতে পারলেন।
প্রফেসর ড্যানিয়েলের খুব প্রিয় ছাত্রী হতে লাগলো সে।
তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচাইতে মেধাবী ও নাম করা শিক্ষক।
মিশান ছাত্র হিসেবে তেমন ভাল না-
উন্নত বিশ্বের বেশিরভাগ ছাত্রদের ক্ষেত্রে যা হয় আর কী!
অনেকেরই কোর্স নিয়ে এতো পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকেনা।প্রথম শ্রেণি চলে আসে,ব্যাস।আদ্রিজা নিয়মিত ক্লাসে আসে,কোর্সটাকে যত্নবান হয়ে পরিচালনা করছে।

শিক্ষকদের প্রিয় ছাত্র হয়ে উঠেছে সে।
প্রথম সেমিস্টারেই বাজিমাৎ করেছে। প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে।এই বাঙালি মেয়ের অভাবনীয় সাফল্যে ছাত্র-শিক্ষকরা একটু আশ্চর্য না হয়ে পারে নি!
মিশান অনিয়মিত ছিল ক্লাসে।আদ্রিজাকে নিজের মনের কথা জানানো তো দূরের কথা-
সে ভালভাবে আলাপ ও করতে পারেনি।
সৌনক এরমধ্যে নিজের দাম্ভিক ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়ে দিয়েছে আদ্রিজাকে।
সৌনকের যথেষ্ট আত্নবিশ্বাস আছে সম্পর্কটা হবে।বাঙালি ছেলে হিসেবে সে যথেষ্ট যোগ্য।আদ্রিজা ও বাঙালি, সৌনকও বাঙালি এটাই তার প্রথম ভাবনার বিষয়। আদ্রিজা চুপ থাকলো।কিছুই জানালো না।

মিশান ক্লাসে অনেক নিয়মিত হয়ে যায়,আদ্রিজাকে খুব মনে ধরে তার।
সব সময়ই একটা অনুভব তার জন্য কাজ করে।
নিজেকে প্রকাশ করতে পারেনা ঠিকই ; কিন্তু তার মসৃণ ভালবাসার অনুভূতি আদ্রিজাকে জানান দিয়ে গেছে অনেক ভাবে।আদ্রিজার জীবন ধারার প্রত্যেকটা দিক চর্চা করতে শুরু করে মিশান।এই সব খেয়ালে আসে তার।
নিজে কোনো কথাই এখন পর্যন্ত বলার সুযোগ পায়নি ;কিন্ত সব কথাই বলা হয়ে গ্যাছে তার কাজে।

মিশান প্রফেসর ড্যানিয়েল কে নিজের স্টাডির অপারগতা বিষয়ে জানায়।
পিছিয়ে পড়ার অনুশোচনা প্রকাশ করে।নিজের শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করে সহপাঠিনী আদ্রিজার প্রতি।ড্যানিয়েলই প্রথম আদ্রিজার কাছে মিশানকে পাঠান গ্রুপ স্টাডি করতে।নিজে ফোন করে আদ্রিজাকে বলেন মিশানকে সাহায্য করতে।

ক্লাসে এসে চুপচাপ বসে থাকে আর সচেতন ভাবে আদ্রিজাকে দেখে যায় সে- যেন আর কেউ,এমনকি আদ্রিজাও না বুঝে;কিন্তু আদ্রিজা তো অনেক আগে থেকেই মিশানকে বুঝতে শুরু করেছে। বেচারা এসব আর টেরই পায় নি!
ক্লাসের শেষে গিয়ে আদ্রিজা নিজে থেকে মিশানের সাথে আলাপ শুরু করলো।

মিশান মাথা নিচু করে একেবারে ভদ্র মার্জিত বাঙালি ছেলের মত হ্যাঁ- না করে উত্তর দিতে থাকলো।
ছুটির পর লাইব্রেরিতে দু’জনে বসে, মিশানের ঘাটতি গুলো সে জেনে নিলো।
মিশানের ব্যবহার দেখে আশ্চর্য হলো আদ্রিজা।বিদেশি ছেলেদের উগ্র আচরণ,সো-আপ কিছুই পেলো না তার মাঝে।
মিশানের জন্য যত্ন করে নোট বানানো থেকে শুরু করে সব কাজ সে মন থকে করতে লাগলো।

মিশান এক অনুগত ছাত্রের মত মাথা নিচু করে
আদ্রিজার কাছে নিজের ঘাটতি গুলোকে শোধরাতে লাগলো।
প্রতিদিন পারিশ্রমিক হিসেবে একটা চকলেট নিয়ে আসত।
আদ্রিজাও মন ভরে গ্রহণ করতো।এভাবে বেশ দিন কেটে গেলো। প্রয়োজন ছাড়া কোনো কথাই সে বলতো না আদ্রিজার সাথে।
একদিন আদ্রিজা, মিশানকে দুজনে মিলে লাঞ্চ করতে ইচ্ছে প্রকাশ করলো ।মিশান সরাসরি মাথা নিচু করে জানালো রেস্টুরেন্টে বিল দেবার মতো ডলার তার কাছে নেই।আদ্রিজা চুপ হয়ে গেলো।বলেছিলো আমি দিবো , তুমি চলো।মিশান নম্র অসম্মতি জানালো। সে এভাবে আদ্রিজার কাছে নিজেকে দায়িত্বহীন পুরুষ বানাতে চাইলো না।মিশান আদ্রিজাকে তার বাসায় নিজের রান্না করে খাওয়াতে চাইলো। আদ্রিজা স্ট্রেঞ্জ হয়ে গ্যালো!

খুব অনুনয় করে বলাতে, না করতে পারলোনা।সে মিশানের বাড়িতে গিয়ে আশ্চর্য হয়ে গেলো। কেউ নেই, শুধু এক বৃদ্ধ মহিলা ছাড়া আর কেউ নেই।মিশান তার দিদিমাকে নিয়ে থাকে।বাবা-মা কেউ নেই।নিজে একা বেড়ে উঠেছে। রান্না, বাড়ির কাজ,রোজগার, দিদিমার কেয়ার সব তাকেই একা করতে হয়। ভীষণ একা পুরুষ সে।
দিদিমা সব কথা আদ্রিজাকে জানালেন।
আদ্রিজার মিশানের সব কিছু জানা হলো।
তাকে ভীষণ ভাবে অনুভব করতে লাগল।
এর ফাঁকে মিশান চমৎকার সব বাঙালি ডিশ রান্না করে নিলো।খাবারে বসে আদ্রিজা আশ্চর্য হয়ে গেল । সে নিজেও এতো বাঙালি খাবার রান্না জানেনা,মিশান কী ভাবে শিখে নিলো!
জিজ্ঞেস করল মিশানকে- কী ভাবে আর কেনো এসব শিখেছে।
মিশান জানাল সে তিন মাস বাঙালি রেস্টুরেন্টে কাজ করেছে শুধু বাঙালি রান্না শিখতে।

আদ্রিজা জিজ্ঞেস করল:কিন্তু কেন?
মিশান জানাল আজকের এই দিনটিকে পাবার জন্য,তোমাকে বাঙালি খাবার রান্না করে খাওয়ানোর জন্য।শুধু তাই নয় সে নিজেকে একেবারে বিশুদ্ধ বাঙালি বানানোর চেষ্টা করেছে।প্রতিটা পদক্ষেপ শিখে নিয়েছে তাকে অনুস্মরণ করে, এই কথা গুলো ভালবাসা মাখা
কণ্ঠে আদ্রিজাকে জানালো। খবার শেষ হলো। আদ্রিজা একেবারেই চুপ হয়ে গ্যালো।এবার সে মাথা নিচু করে কিছু সময় চুপ হয়ে থাকলো। কোনো কথা আর না বাড়িয়ে দিদিমার কাছ থেকে বিদায় নিলো। মিশান সামনে আসলো আদ্রিজা কে এগিয়ে দিতে।দু’জন চুপচাপ হাঁঠছে।রাস্তায় গাড়ি আসতেই আদ্রিজা উঠে পড়লো।সিটে বসে জানলা খুলে মিশানকে বললো :আজকের দুপুরের সুন্দর মুহূর্ত গুলো তাকে উপহার দেবার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ-এই দুপুর তার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। গাড়ি ছড়ে দিলো।
এদিকে সৌনক বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে চাইলো ।আদ্রিজার বাবা-মা ও সৌনককে অনেক পছন্দ করেন বাঙালি ছেলে হিসেবে।
সৌনকের মেয়ে বন্ধুর অভাব নেই।আদ্রিজাকে ভালবাসে কী-না, সেটা সে নিজেও ঠিক করে জানেনা -শুধু বাঙালি মেয়েকে বৌ করতে হবে এটুকু জানে।ঘরের কোণে লেগে থাকবে সে, ব্যাস।সৌনক বাঙালি হলেও যথেষ্ট বিত্তবান। বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। বিয়ের আগেই পারিবারিক ভাবে আদ্রিজাকে বিলাশ বহুল বাড়ি গিফট করলো।

আদ্রিজা তার স্টাডি নিয়ে ভীষণ ব্যস্ততায় থাকে।সৌনক তার সাথে দেখা করবে এমন সুযোগই সে দেয় না।এদিকে সৌনক ও তার মেয়ে বন্ধুদের নিয়ে খুব ব্যস্ত;তাই বিষয়টা
এভাবে দাঁড়ালো -বিয়ে, ওটা তো হচ্ছেই- ক’দিন পরে এমনিতেই একসাথে উভয়কে পাওয়া যাবে;এক ছাদের নিচে।

ফ্রেডরিক মিশানকে তার পরিবর্তন দেখে- যা ইচ্ছে তা বলতে লাগল।
ফ্রেডরিকের বোন লিরা মিশানকে পছন্দ করতো।কিছুই জানতো না মিশান।ফ্রেডরিক মিশানকে যা ইচ্ছে তাই বলে দিলো। লিরার কথাও জানালো। মিশান আশ্চর্য হয়ে গেলো! মিশান জানালো- সে লিরাকে ভালবাসেনা।সে আদ্রিজা কে ভালবাসে; আর তাকেই বিয়ে করতে চায়।সে নিজেকে প্রায় অনেকটাই আচারে বাঙালি করে তুলেছে আদ্রিজার জন্য।ভালবাসা-ই তার কাছে মূল বিষয় ;বর্ণবাদ সে বিশ্বাস করেনা,মানে না।

আদ্রিজাকে ফ্রেডরিক সব বলে দিলো- আর হুমকি দিলো- সে যাতে এসবে না জড়ায়। আদ্রিজা খুশিতে আত্নহারা হয়ে গ্যালো খবর শুনেই।
যে ছেলে, তার জন্য এতো কিছু করতে পেরেছে, সে তাকে জীবনেও ভালবাসার কমতি বা স্বামীর দায়িত্ব -কর্তব্য পালনে ঘাটতি রাখবে না।
কিছু না বলেই ফ্রেডরিকের কাছ থেকে চলে আসলো।
পররের দিন ক্লাসের পরে মিশাানকে নিয়ে নায়াগ্রা ফল্সে বেড়াতে চাইলো। মিশান ও রাজি হয়ে গেল।দু’জনে চুপচাপ গাড়ি করে পৌছালো।
আদ্রিজা মিশানকে ঝর্ণার নীরবে বয়ে যাওয়া দেখাল, আর বললো -কেউ তা খুঁজে দেখেনা;তেমনি এক মানুষের নীরবে বয়ে যাওয়া সে দেখেছে।মিশান গম্ভীর কণ্ঠে জানতে চাইলো, কার?

আদ্রিজা চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো:তোমার, তোমার। তুমি আমাকে ভালোবাসো,এই ভীষণ সত্যটুকু একটিবারও বলতে পারলে না,ফ্রেডরিক আমাকে শাসিয়ে জানালো! এই চারটি বছর কেটে গেলো। দু’জনে কতো গ্রুপ স্টাডি আর এক সাথে ক্লাস করলাম, একটিবারও জানালেনা!

মিশান এই প্রথমবার তার চখের দিকে তাকাল, আদ্রিজা তার চোখে জমানো কথার সমুদ্র দেখতে পেলো। কিছু বললোনা মিশান,শুধু এইটুকু বললো: তুমি আমার অস্তিত্বে মিশে আছো- আর আছো চোখের জলের অংশীদার হয়ে।
আদ্রিজা মিশানকে জড়িয়ে ধরে পাগলের মতো বলতে লাগলো :প্রত্যেকটা মেয়ে চায় তাকে সবটুকু দিয়ে কোনো ছেলে ভালবাসুক,তার প্রত্যেকটা অনুভূতি সে পড়ে নিক, নিজের সবটুক দিয়ে সে তাকে বুকে আগলে রাখুক;তুমি তো এর চেয়েও বেশি আমাকে দিয়েছ মিশান। আমি খুব করে তোমাকে চাই,ভীষণ ভাবে চাই। তোমার করে থাকার সুযোগ দাও।মিশান জীবনের সবচেয়ে বড় সুখটিকে আজ প্রথম দেখলো আর অনুভব করলো।তাদের দেখে নায়াগ্রাও যেন খুশিতে হাসতে লাগলো।দুজন এক গভীর ভালবাসার মধ্যে দিন কাটাতে চাইলো। সৌনকের মাঝে এমন ভালোবাসা আদ্রিজা পেলো না- তাই তাকে ফিরে যতে হলো।

ফ্রেডরিক নিরুপায় হয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক শেষ করলো।
দুজনের ফাইনাল রেজাল্ট বের হলো। আদ্রিজা প্রথম স্থান অধিকার করলো’ আর মিশান দ্বিতীয় স্থান।

দু’জন ঘর বাঁধার আয়োজন করলো।দু’জনের বিয়েটা দু’পক্ষের পরিবার অনেক জল্পনা-কল্পনার পর রাজি হলো।দিন ও ঠিক হলো।
হঠাৎ ঘটলো বিধির নির্মম তাণ্ডব!মন্ট্রিয়ালে ভীষণ ভূমিকম্প হলো, হাজার হাজার ঘর-বাড়ি ভেঙ ধ্বংস স্তুপে পরিণত হলো।অনেক মানুষ মারা গেলো।মিশানের দিদিমা শুধু বেঁচে থাকলেন,মিশান মৃত্যুর কোলে নীরবে ঘুমিয়ে পড়লো ।

আদ্রিজা গভীর ভালোবাসার শোকে প্রায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়ে ছিলো।চিকিৎসার পর অনেকটা ভাল হয়ে সোজা সে মিশানের বাড়িতে চলে গেলো।

মিশানের স্মৃতিকে আঁকড়ে রেখে, মিশানকেই বুকে রখে বাঁচতে লাগলো।মিশানের দিদিমাকে মিশানের অভাব সে বুঝতে দিলো না, তার মতো করে যত্ন করতে লাগলো।মিশানের আত্মার উপস্থিতি সে গভীর ভাবে সব সময় অনুভব করতো ;যেন মিশানকে নিয়েই সে সংসার করছে।

মিশানের রেখে যাওয়া শেষ কর্তব্যকে সম্পূর্ণ রুপে পালন করলো।এভাবেই কাটতে লাগলো আদ্রিজার জীবন -শূন্যতার বিষবাষ্পের এক ধোঁয়াটে অনিশ্চয়তায়।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •