সিলেট নিউজ টাইমস্ | Sylhet News Times

চেয়ারম্যানের দুর্নীতির অভিযোগ এনে আউশকান্দি ইউনিয়নের ৯ সদস্যের বয়কট

46 total views, 1 views today

নিজস্ব প্রতিনিধি- আজিজুল ইসলাম সজীব :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুন ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ সাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে একই রাস্তায় ৩ বার বরাদ্দসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে ওই ইউনিয়নের ৯ জন সদস্য।

এছাড়া চেয়ারম্যানের ছুটিকালীন সময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদানের উপর অনাস্থা প্রদান করা হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ বয়কটের ঘোষণাও দিয়েছেন ৯ জন সদস্য। গত ১৫ জুলাই সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩ নং-ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের সদস্য রোজিনা বেগম, ৭, ৮, ৯ ওয়ার্ডের রহিমা বেগম, হাজী দুলাল মিয়া, সুমন মিয়া, সাহেল আহমদ, ইকবাল হোসেন, মোঃ আব্দুল কাদির, খালেদ আহমদ জজ, হাসান আলী ওস্তার। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুন ছুটি নিয়ে যুক্তরাজ্য যাওয়ার সময় প্যানেল চেয়ারম্যান-১ সাহিদুর রহমানকে দায়িত্ব দিয়ে যান। পরে চেয়ারম্যান দেশে ফিরে আসেন। ইদানিং আবার ইউপি চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুন যুক্তরাজ্য যাওয়ার প্রয়োজন হলে সকল ইউপি সদস্যকে নিয়ে এক সভার আয়োজন করেন। সে সময় বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান হারুন বলেন, ১ম বার ছুটিকালীন সময় সাহিদুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেওয়ায় তিনি অনেক কেলেংকারী করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় সেই সভায় ইউপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী বনগাঁও হতে আজলপুর রাস্তার খালের উপর ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে সেতু নির্মাণ করি। ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে আজলপুর আমির উদ্দিনের বাড়ির নিকট হইতে বাসির খালের ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মাণ কাজের জন্য ৬০ জন শ্রমিকের মুজুরি বাবদ ৪ চার লাখ ৮০ হাজার টাকা দেই।

২য় দফায় ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে ইসলামপুর হইতে তাহিদ মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মাণে অতি দারিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচির ২য় পর্যায়ে বরাদ্দের আওতায় ৩৫ জন শ্রমিকের মুজুরি বাবত ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছি। ৩ বারে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে অতি দারিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচির ১ম পর্যায়ে বনগাঁও হতে আজলপুর-ইসলামপুর রাস্তার বাবত বরাদ্দের আওতায় ১২০ জন শ্রমিকের মুজুরি বাবত ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেই।

অভিযোগে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তোলে ধরা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় গত এক সপ্তাহ ধরে ৯ জন ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদ বয়কট ঘোষণা করায় নিজ নিজ ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ ইউনিয়নের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কমেন্ট
শেয়ার করুন