বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের পেছনে ফেলে ৫ম স্থানে নাহিদা

141 total views, 1 views today

স্পোর্টস ডেস্ক:: দুর্দান্ত পারফরমেন্সে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। শিরোপা জয়ে সালমা-আয়েশাদের পাশাপাশি গুরুত্বপূূর্ণ ভূমিকা পালন করেন টাইগ্রেস স্পিনার নাহিদা আক্তার। আর সেই সঙ্গে আইসিসির টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছেন। এ তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান নারী ক্রিকেটার মেগান স্কুট।

মাশরাফি, তামিম কিংবা সাকিবদের নয়, সম্প্রতি প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এমনটা হবেই না বা কেন? মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানেই দুটি ট্রফি জিতেছে টাইগ্রেসরা। ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতেছিল অনেক আগেই। এরপর আয়ারল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়। সর্বশেষ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শিরোপাও জিততে সক্ষম হয়েছেন সালমারা। এখন তাদের লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে। টাইগ্রেস দলের ম্যানেজার বলেন, আমাদের লক্ষ্য সেমিফাইনাল খেলা। নেদারল্যান্ডস থেকে ইতোমধ্যেই দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। আর ফিরেই খুশির সংবাদ শুনল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের স্পিনার নাহিদা আক্তার।

নেদারল্যান্ডসে সফল টুর্নামেন্ট শেষ করার পর র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে নাহিদার । বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের পেছনে ফেলে আইসিসির বোলিং র‌্যাঙ্কিংয়ে একধাপ এগিয়ে সেরা পাঁচে উঠে এসেছেন তিনি। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সবার ওপরেই রয়েছেন ১৮ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার। নাহিদার রেটিং পয়েন্ট ৫৯৯ রান। চতুর্থ স্থানে থাকা পাকিস্তানের আনিম আনামের পয়েন্ট ৬০২। অর্থাৎ আর মাত্র ৪ পয়েন্ট হলেই সেরা চারে অবস্থান করবেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। এ দিকে ৬৯৯ পয়েন্ট নিয়ে এ তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার মেগান স্কুট।

ভারতের পুনম যাদব রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তার সংগ্রহ ৬২১ পয়েন্ট। এ ছাড়া ৬১০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হ্যাইলেই ম্যাথিউস। আইসিসির টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাঙ্কিংয়ে আরেক টাইগ্রিস ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ রয়েছেন তেরো নম্বরে। অধিনায়ক সালমা খাতুন এক ধাপ পিছিয়ে ১৮ নম্বরে নেমেছেন। খাদিজাতুল কুবরা রয়েছেন ২৫ নম্বরে। আর ২৯ নম্বরে রয়েছেন জাহানারা আলম।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের স্পিনার নাহিদা আক্তার ২০০০ সালের ২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। লেগ স্পিন এবং ধীরগতির বলের জন্য বিখ্যাত তিনি। এ ছাড়া ডান হাতে ব্যাটিং করে থাকেন। ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় দলের হয়ে প্রথম মাঠে নামার সুযোগ পান। অভিষেক ম্যাচে মাঠে নামেন পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০১৮ সালের এশিয়ার কাপ জয়ের স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ২৩টি ম্যাচে মাঠে নেমে মোট ২৫টি উইকেট নিতে সক্ষম হন।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •