সিলেট নিউজ টাইমস্ | Sylhet News Times

জগন্নাথপুরে মানসিক রোগীর সন্তান প্রসব, সন্তানের পিতা কে?

73 total views, 3 views today

নিউজ ডেস্ক:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নামপরিচয়হীন মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর গর্ভে সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। ওই মা ও নবজাতক সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুব্রত তালুকদার বলেন, মা ও শিশুর পাশে আমরা রয়েছি। সমাজসেবা অধিপ্তরের সহযোগিতায় তাদের চিকিৎসা চলছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজারে সপ্তাহখানেক পূর্বে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর আগমন ঘটে। গত শনিবার বিকেলে বাজারের পাশের একটি কলোনীতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি নজরে এলে কলোনীর বাসিন্দারা বুঝতে পারেন ওই নারী সন্তান সম্ভাবনা। প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন। কলোনীর বাসিন্দারা বিষয়টি স্থানীয় ওয়ার্ডেও ইউ.পি সদস্য খালেদ আহমদকে জানান। খালেদ আহমদ পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হককে বিষয়টি অবহিত করলে চেয়ারম্যানের পরামর্শে তাৎক্ষনিকভাবে ওই নারীকে পাটলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। বিকেলে স্বাভাবিকভাবে এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় ওই নারী।

ইউ.পি সদস্য খালেদ আহমদ জানান, রসুলগঞ্জ বাজারের মৃত লাল মিয়ার স্ত্রী জুবেদা খাতুনসহ কয়েকজন নারীর সহযোগিতায় মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করি। সেখানে ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় ওই নারী। পরে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার মা ও শিশুকে আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি। তারা এখন ভাল আছে ।

তিনি বলেন, নবজাতক ও তার মাকে সহযোগিতা করতে আমাদের এলাকার জুবেদা খাতুন, রাবেয়া বেগম ও আবদুল্লার স্ত্রী সার্বক্ষনিক সাথে রয়েছেন। আমরা তাদেরকে সহযোগিতা ও খোঁজখবর নিচ্ছি।

পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক বলেন, ঘটনাটি আমি তাৎক্ষনিক জগন্নাথপুরের ইউএনওকে অবহিত করেছি।

জগন্নাথপুরের ইউএনও মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে মা ও শিশুকে দেখেছি। ছেলেটির নাম রেখেছি মোহাম্মদ ইউনুস।

তিনি বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ছেলেটিকে সেফহোমে পাঠানো হবে। আর তার মাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জগন্নাথপুর থানা ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, নবজাতক ও মা সুস্থ আছেন। ওই মায়ের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন