সিলেট নিউজ টাইমস্ | Sylhet News Times

‘এখন অনেক গানই শুনতে একরকম মনে হয়’

49 total views, 1 views today

বিনোদন ডেস্ক:: সুকন্ঠি সংগীতশিল্পী দিঠি চৌধুরী। এরই মধ্যে অনেক গান তিনি উপহার দিয়েছেন শ্রোতামহলে, যা বেশ প্রশংসিত হয়েছে। মাঝে ১০ বছরের বিরতি নিলেও গত দুই বছর ধরে গানে ফের নিয়মিত হয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে নিজের একক অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি স্টেজ শো ও টিভি লাইভে গাইছেন নিয়মিত। এর বাইরে উপস্থাপিকা হিসেবেও দর্শকমহলে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দিঠি।

গান ও উপস্থাপনায় সফলতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এ গ্ল্যামারাস শিল্পী। বাবা বিখ্যাত গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ারের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে মানসম্পন্ন গান করার পেছনেই বেশি সময় দিচ্ছেন দিঠি। সব মিলিয়ে কেমন আছেন? চলতি সময়টা কেমন যাচ্ছে? দিঠি উত্তরে বলেন, বেশ ভালো আছি। দিনকালও সুন্দর কেটে যাচ্ছে। ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সময়। তবে এটাও আমি উপভোগ করছি। চলতি ব্যস্ততা কি নিয়ে?
উত্তরে দিঠি বলেন, এখন স্টেজ শো করছি। তবে খুব সিলেক্টিভ শোগুলোই করছি। আর বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের শোগুলো করছি। পাশাপাশি উপস্থাপনা চালিয়ে যাচ্ছি। নতুন গানের কি খবর? দিঠি বেশ আনন্দের সুরে বলেন, আমার শ্রোতাদের জন্য নতুন চমক রয়েছে। সেটা হচ্ছে নতুন দুটি গানের কাজ শেষ করেছি। এই গানগুলো ভিডিও আকারে প্রকাশ করবো। আর সেটা ঈদেই। আমি এ নিয়ে অনেক এক্সাইটেড। গান দুটি সম্পর্কে বলুন। দিঠি বলেন, একটি গানের নাম হলো ‘দেবদাস পার্বতী চন্দ্রমুখী’। আরেকটি হলো ‘মধুর ক্যান্টিন’। দুটি গানই আমার বাবার লেখা। দ্বিতীয় গানটি গেয়েছি ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত শিল্পী অপুর সঙ্গে। সুরও করেছে অপু। আর প্রথমটির সুর ও সংগীত করেছেন আহমেদ কিসলু। এ গান দুটির মিউজিক ভিডিও ঈদের আগেই শেষ করার ইচ্ছে আছে। আশা করছি ঈদের আগেই সেগুলো শ্রোতা-দর্শকদের জন্য প্রকাশ করতে পারবো। এর বাইরে আরেকটি খবর আছে। সেটা কি? দিঠি বলেন, আরেকটি প্রজেক্ট করছি। শ্রদ্ধেয় সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদের সন্তান রাজা বশীর ও হুমায়রা বশীরের সঙ্গে একটি অ্যালবাম করছি। এটি অন্যরকম একটি কাজ হতে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস এ অ্যালবামের গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে। সারগাম থেকে এটি প্রকাশ হবে। সব মিলয়ে এখন অডিও ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা কেমন মনে হচ্ছে? দিঠি বলেন, মোটামুটি। এখন সময় বদলেছে। গান শোনার পাশাপাশি এখন দেখারও বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভিডিও করা হচ্ছে। এখন শ্রোতারাও গান সহজে শুনতে পাচ্ছে। যে কেউ হাতে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ থাকলেই ইচ্ছেমতো গান শুনতে পাচ্ছে। গান প্রকাশও সহজ হয়েছে। কোম্পানির বাইরেও শিল্পীরা নিজেদের গান প্রকাশ করতে পারছেন। তাও স্বত্ব নিজের কাছে রেখে। এটি ইতিবাচক দিক। তবে আরও একটু অভ্যস্ত হতে হবে আমাদের ডিজিটাল মার্কেটে। তারপর মনে হয় আসল ফলাফলটা পাওয়া যাবে। এই সময়ে যারা গান করছে তাদের কেমন মনে হচ্ছে?
দিঠি বলেন, অনেক মেধাবী শিল্পী, সুরকার ও গীতিকাররা এখন কাজ করছে। আমি যেহেতু নিয়মিত লাইভ করি, উপস্থাপনা করি, তাই এ প্রজন্মের অনেক শিল্পীর গান আমার শোনা হয়, তাদের কাছ থেকে জানারও সুযোগ হয়। যারা এখন গান করছে অনেক ভালো করছে। ভালোর সঙ্গে সঙ্গে খারাপও থাকবে। শ্রোতারা ভালো গানকে গ্রহণ করবে আর খারাপ গানকে করবে বর্জন। এটাই স্বাভাবিক। তবে আমার মনে হয় এই সময়ের গানের সুরে কিছুটা ভিন্নতা আনা দরকার। কারণ এখন অনেক গানই শুনতে একরকম মনে হয়। তাই এক্ষেত্রে পরিবর্তনটা দরকার বলে মনে করি।

কমেন্ট
শেয়ার করুন