‘১০ হাজার টাকা দে, নইলে মেরেই ফেলব’

120 total views, 1 views today

নিউজ ডেস্ক:: ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আবারও চুরির অপবাদে খুঁটিতে বেঁধে এক কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলার গোলকপুর মোড়ের বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনকারী দম্পতির হাত থেকে পুলিশের এসআই সাইদুর রহমান নির্যাতিত কিশোর রকি মোহাম্মদকে (১৪) উদ্ধার করেন। সে পৌর শহরের গোলকপুর এলাকার মরজত আলীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গোলকপুর মোড়ের বাজারে দোকানদার মতি মিয়া ও তার স্ত্রী চুরির অভিযোগ এনে একই এলাকার কিশোর রকিকে খুঁটিতে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন চালান। এ সময় প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করলেও তারা কারও কথার কর্ণপাত না করে নির্যাতন চালিয়ে যান। একপর্যায়ে নির্যাতনের শিকার রকির মা ফারজানা আক্তার লিনদা (৩৫) ছেলেকে মুক্ত করতে কয়েক দফা অনুনয়-বিনয় করলেও ছেলেকে মুক্ত করতে পারেননি। শিরিনা আক্তার ও মতি মিয়া বারবার চিৎকার করে বলতে থাকেন, ১০ হাজার টাকা দে, নইলে মেরেই ফেলব।

এ ঘটনাটি গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদকে জানান এলাকাবাসী ও সংবাদকর্মীরা। খবর পেয়ে ছুটে আসেন গৌরীপুর থানার এসআই মো. সাইদুর রহমান। তার সামনেও নির্যাতন চালিয়ে যান ওই দম্পতি। একপর্যায়ে পুলিশ নির্যাতিত কিশোরকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন তারা।

শিরিনা আক্তার জানান, আব্দুস সাত্তার ও রকিকে ৩ দিনে আগে দোকানে রেখে যাই। এসে দেখি ক্যাশের ১০ হাজার টাকা নেই। ওই টাকা রকি চুরি করেছে।

গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, নির্যাতনের শিকার কিশোর রকি মোহাম্মদকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের নাটকঘর লেনের রেলওয়ে বস্তির মো. শিপন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়াকে (১৬) উপজেলার চরশ্রীরামপুর এলাকায় প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  • 30
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    30
    Shares