সিলেট নিউজ টাইমস্ | Sylhet News Times

আজ থেকে কারাবন্দিরা স্বজনদের সাথে ফোনে কথা বলতে পারবে

জেল থেকেই স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে বন্দিরা

49 total views, 1 views today

নিউজ ডেস্ক:: উদ্বোধন করা হলো প্রথমবারের মতো কারাগারে বন্দিদের জন্য ফোনালাপের কার্যক্রম। বুধবার টাঙ্গাইল কারাগারে বন্দিদের মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য ‘স্বজন’প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এর ফলে এখন থেকে কারাবন্দিরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। প্রথমদিন কারাগারের চারটি বুথ থেকে পর্যায়ক্রমে চার বন্দিরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট করে কথা বলেন।

জেলা কারাগার সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড ও বাংলাদেশ জেলের সহায়তায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় বন্দিরা (হাজতি ও কয়েদি) কারাগারে আসার পর তাদের কাছ থেকে তাদের স্বজনদের দুটি মুঠোফোন নম্বর রাখা হবে। মাসে একজন বন্দি দু’বার ১০ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন। কথা বলার ক্ষেত্রে নারী-শিশু ও বৃদ্ধ বন্দিদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

কারাগার সূত্রে আরও জানা যায়, নির্ধারিত সময়ে বন্দিরা বুথে ঢুকে এক বা দুই চাপলে সফটওয়্যার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভীষ্ট নম্বরে সংযোগ পাওয়া যাবে। নির্ধারিত সময় ১০ মিনিট পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল কেটে যাবে। সময় শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে সতর্কসূচক ‘বিপ’ শব্দ হবে।

নির্ধারিত সময়ে সময়েই কল করতে হবে। বন্দিদের স্বজনরা নির্ধারিত সময়ে যাতে কথা বলার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন, সেজন্য আগের দিন তাদের মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে মোবাইল ফোন সেবা ‘স্বজন’ উদ্বোধন করে কারাগার চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব কারাবন্দি কারাগারে বসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ পাবেন। এ জন্য দেশের সব কারাগারে বুথ স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ দেশের কারাগারকে বন্দিশালা নয়, সংশোধনাগার হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। কাজেই এ কাজে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বজনরা কারাবন্দিদের সঙ্গে দেখা ও কথা বলার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন কথা না হলে কয়েদিদের মনে একাকীত্ব ভর করে, তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে ‘স্বজন’ চালু করা হলো। কয়েদিরা এই দিনের অপেক্ষায় ছিল।

কমেন্ট
শেয়ার করুন