সিলেট নিউজ টাইমস্ | Sylhet News Times

পাকিস্তানকে কাছে পেতে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

67 total views, 1 views today

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের সম্পর্ক যাতে সম্পূর্ণ ভেঙে না পড়ে সেজন্য বারবার ইসলামাবাদ সফর করছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক কর্মকর্তা।

পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের এই প্রক্রিয়া ঘটছে ‘পর্দার অন্তরালে’। সোমবার পাকিস্তানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ড. মোহাম্মদ ফয়সাল এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘পররাষ্ট্র সচিব (তাহমিনা জানজুয়া) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ ও মধ্যএশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর লিসা কার্তিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।’

তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এরপর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহসান ইকবালের সঙ্গেও কথা বলেন কার্তিস। অবশ্য এ বিষয়েও প্রকাশ্যে কিছু জানানো হয়নি।

পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এর আগে দেশটির একটি সাপ্তাহিককে জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সাধারণ ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে চাইছে, যেটা ঘটছে পর্দার অন্তরালে।

নতুন বছরের শুরুতেই ‘মিথ্যা ‍ও প্রতারণার’ পাকিস্তানের সামরিক খাতে যুক্তরাষ্ট্র অর্থসহায়তা বন্ধ করে দেয়ার পর পরই দুই দেশের মধ্যে এই গোপন আলোচনা ‍শুরু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, পেন্টাগন ও পাকিস্তানের সেনা সদরের মধ্যে শুরু হওয়া এই আলোচনায় শেষ পর্যন্ত মার্কিন সেনা কমান্ডার জেনারেল জোসেফ ভোটেল ও পাক সেনাপ্রধান জেনারেল অসিম কমর বাজওয়া অংশ নেবেন।

এদিকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সংসদ সদস্য শিরীন মাজারি অভিযোগ করে বলেন, ‘হঠাৎ নোটিসে পাকিস্তান কেন ট্রাম্পের দক্ষিণ এশিয়া প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করছে? লিসা কার্তিস পাকিস্তানের একজন সমালোচক।’

কার্তিস ও ইকবালের মধ্যকার বৈঠক সম্পর্কে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্পারিক সম্পর্কের অনেক বিষয়ই তাদের বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। এ সময় পাকিস্তানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড হালে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পাক-মার্কিন সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পর রাশিয়ার দিকে ঝুঁকেছে পাকিস্তান। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলে সন্ত্রাস দমন করবে তারা। এছাড়া পাকিস্তানের ওপর মার্কিন প্রশাসন যে ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, চীনের অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। দেশটি বরাবরই পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র।

কমেন্ট
শেয়ার করুন