নয়াপল্টন থেকে আলাল-বাবুল আটক

40 total views, 1 views today

নিউজ ডেস্ক::  বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলকে আটক করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টা ২২ মিনেটে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শনিবার সকালে দলটির পূর্বঘোষিত কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে যায়। কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচির আগেই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে সামনে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করে পুলিশ।

এতে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও সাবেক সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে ২০জনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে বলে দাবি করে বিএনপি।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে সমাবেশ করতে না দেয়ার প্রতিবাদে শনিবার কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি।

বেলা ১১টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হন।

ধরপাকড়ের সময় ঘটনাস্থলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আলাল, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সাবেক সংসদ সদস্য নীলুফার চৌধুরী মনি উপস্থিত ছিলেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকশ কর্মী কার্যালয়ের সামনের সড়কে কালো পতাকা নিয়ে বসে পড়েন। এসময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এরপরেই লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। জলকামান থেকে রঙিন পানিও ছোড়া হয়।

আজকের কর্মসূচির জন্য বিএনপির কার্যালয়ের বাইরে যে প্যান্ডেল করা হয়েছিল, তা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়া পল্টনে জনসভার অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে জেল দেন।

রায়ে আসামিদের প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন। রায়ের দিন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত তিনি কারাগারেই আছেন।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •