মাধবপুরে মাতব্বর’কে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

36 total views, 1 views today

নিজস্ব প্রতিনিধি:: মাধবপুরে উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে জহিরুল ইসলাম (৭০) নামে এক মাতব্বর’কে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৩ জনকে ৫ মাস পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হল সুনামগঞ্জের সদরে ইকবাল নগর এলাকার মনির মিয়ার পুত্র মনোয়ার আলী (২২), হযরত আলীর পুত্র মিন্টু মিয়া (৩০) ও সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার শিমুলতলী গ্রামের ওয়ালটনের সেলসম্যান ছয়ফুল আমস (৩০) বলে জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত মাধবপুর থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সুনামগঞ্জ, সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের কে আটক করেন।

জানা যায়, কললিষ্টের সূত্রধরে নিশ্চিত হয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত শিবনগর গ্রামের উমেদ আলীর এক বোন মধ্যপ্রাচ্য থাকেন। সেখানে তিনি কাজ করে যা উপার্জন করেন তা মায়ের কাছে পাঠান। কিন্তু উমেদ আলী মায়ের কাছ থেকে সেই টাকা নিয়ে খরচ করে ফেলেন। মেয়ের কষ্টার্জিত টাকা ছেলের কাছ থেকে রক্ষা করার উপায় না পেয়ে উমেদ আলীর মা সম্প্রতি গ্রামের মাতাব্বর জহিরুল ইসলামের কাছে ১ লাখ টাকা আমানত রাখেন। জহিরুল ইসলাম সেই টাকা ঘরের একটি ট্রাংকে রাখেন।
২০১৭ সালের ২৮ আগষ্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে উমেদ আলী ও তার দুই ছেলে ওই টাকা আত্মসাতের জন্য জহিরুল ইসলামের বাড়িতে দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে ট্রাংকের তালা ভেঙ্গে টাকা নেয়ার সময় জহিরুল ইসলাম দেখে ফেলেন। তখন উমেদ আলী ও তার ছেলেরা জহিরুল ইসলামের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহিরুল ইসলাম মারা যান।

পুলিশ উমেদ আলীর ছেলে সজিবসহ ২ জনকে আটক করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি মতে ও কললিষ্টের সূত্রধরে উল্লেখিত ৩ জনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং এর রহস্য উদঘাটন করা হবে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •