খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নাটক শেষ করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন:মিফতাহ্ সিদ্দিকী

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের উপর থেকে মিথ্যা মামলা পত্যাহার ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবীতে আাজ সিলেট বিএনপির বিভিন্ন অংগ-সংগঠনের নেতৃত্বে সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠ থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সিলেট শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সিলেট কেন্দ্রীয় চৌহাট্টা পয়েন্টে এসে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিবের সভপতিত্বে এবং মহানগর যুবদল নেতা আব্দুল আজিজ ও মহানগর ছাত্রদল নেতা শাকিলুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী নেতা কর্মিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, জাতীয় নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে অযোগ্য ঘোষনার লক্ষ্যে ঘষেটি বেগমের অবৈধ সরকার যে দিবাস্বপ্ন দেখছে তা কোন ক্রমেই জাতীয়তাবাদী শক্তি বাস্তবায়ন হতে দেবে না। এই সরকার ব্যর্থ হয়ে এখন তাদের ব্যর্থতার কালিমা বেগম জিয়া আর তারেক রবহমানের দিকে ছুড়ছে। সম্প্রতি বেগম জিয়ার ১৪টি মামলা বকসী বাজারের মাদ্রাসা মাঠে বিশেষ আদালতে স্থানান্তরের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া অতীতে কোন স্বৈরশাসকের সাথে আপোষ করেনি, ভবিষ্যতেও করবেন না। সৈরাচার বা ১/১১ কোন ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে কখনওই নিশ্চহ্ন করতে পারেননি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে দল এবং দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপিকে দেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে সাধারণ জনগনের কাছে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই একমাত্র বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশেই আগামী দিনে আন্দোলন ও নির্বাচনে জীবন বাজি রেখে সাধারণ জনগণের জন্য আমাদের বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নাটক শেষ করে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন, অন্যতায় পালানোর পথ খুজে পাবেন না।

সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট হাবিব বলেন, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে আরও ১৪ টি মামলা কেঙ্গারু কোর্টে স্থানান্তর করার মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট হলো ‘সরকার বেগম জিয়াকে বাইরে রেখে আরেকটা নীল নকশার নির্বাচন করতে চায়। বেগম জিয়াকে অযোগ্য করে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী মাঠ খালি রেখে অবৈধ ভাবে সাকো পার হওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাকশালী সরকার আপনারা ভূলে যাবেন না, বিএনপির নেতারা এখনো মরে যায়নি । এবার আর সেই ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন আমরা হতে দিবোনা।

বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা সাইদুর রহমান বুদুড়ী, আলাউর রহমান লইলু, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর সত্তার মামুন, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, সেলিম আহমদ মাহমুদ, রফিকুল বারী নোমান,মাসুদ আহমেদ কবির, সুহেল মাহমুদ, আব্দুল্লাহ সফি সাহেদ, জহিরুল ইসলাম, মো তমিজুল ইসলাম, আলী আহমদ, মইন উদ্দিন, সাইদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, জুয়েল চোধুরী, মন্জুর হোসেন মজনু, দেওয়ান রেজয়ান, সোহেল আহমদ, আব্দুল মান্নান, আলী হায়দার, আবু বকর সিদ্দিকী বাবু, মারুফ আহমেদ টিপু, আবু হানিফ, দবির আহমদ, আরিফুল ইসলাম হাসান, ঝুটন পাল, বাবর আহমদ, ওমর ফারুক, বশর আহমদ, এনামুল ইসলাম লায়েছ, রায়হান উদ্দিন রাজু, তাজ উদ্দিন আহমদ টিটু, এ টি এম ফয়েজ, জাকির হোসেন, আলতাফ হোসেন টিটু, আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির হোসেন, দেলওয়ার হোসেন রাফি, কামরুল হাসান চৌধুরী তুহিন, মাজহারুল ইসলাম মুর্শেদ, সাফওয়ান আহমেদ, রাজিব আহমেদ, রাজেক আহমদ, সাহাব উদ্দিন, রোহেল কোরেশী, কাওছার হোসেন রকি, দেলোয়ার হোসেন সায়েম, মিসবাহ্ সিহাব, মীর সাইদুর রহমান আয়াত, শাহরিয়ার আল জাকারিয়া, আব্দুল মালেক, হোসেন খান ইমাদ, মাহফুজ আহমদ শিমু, শিব্বির আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মুহিত, মাছুম আহমদ, মোস্তফা সরকার, নজরুল ইসলাম, মো. আলী সাকির, কাওসার আহমদ শিবলু, এহসানুল হক সজিব, তারেক আহমদ, সিব্বির আহমদ, জালাল আহমদ, কাওসার আহমদ, শাওন আহমদ, ফখরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন হোসেন, কামরুল খান, মিনহাজুল ইসলাম, কাওসার আহমদ শিবলু, জোবেদ আহমদ, জুবায়ের হোসেন, সৈয়দ নিশু, জাহাঙ্গির আলম, হাসান আহমদ, ইব্রাহীম আলী, মাসুম আহমদ, অনিম আহমদ, জাবির আহমেদ জিসান, রনি আহমেদ, রেজওয়ান আহমদ, আমিন আহমদ, মহসিন আহমদ, নাসির উদ্দিন, কামিল আহমদ, সুলতান মিয়া, ইমন আহমদ, মাসুম আহমদ, মানিক মিয়া, তারেক আহমদ, রনি আহমদ, ওমর আজিজ, সানোয়ার রাহাত, লিপু আহমদ, সাব্বির আহমদ, মাহদি হক, তাইজুল ইসলাম, আলী আহমদ, কাবুল আহমদ, সুমিত দেবনাত, নাছির আহমদ, জুমন আহমদ, শিব্বির আহমদ, শাহনুর শিকদার, শিপন আহমেদ, ফারুক মিয়া, আব্দুল মালিক, কাদির উদ্দিন, তামিম আহমদ, দেলোয়ার হোসেন, জাবেদ আহমদ, শুভ আহমেদ, জসিম আহমেদ প্রমুখ।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •