বিয়ানীবাজারে ট্রাফিক আইন, ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধুদ্ধকরণ ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সিলেট জেলা অটোরিক্সা (সিএনজি) শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্ট-৭০৭ এর অন্তর্ভূক্ত উত্তর বিয়ানীবাজার শাখার উদ্যোগে ট্রাফিক আইন, ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধুদ্ধকরণ ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান শনিবার উত্তর বিয়ানীবাজার সিএনজি স্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তর বিয়ানীবাজার ৭০৭ শাখার উপদেষ্টা মানিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা অটোরিক্সা (সিএনজি) শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্ট-৭০৭ এর সভাপতি জাকরিয়া আহমদ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. আব্দুস শুকুর, বিয়ানীবাজার থানা অফিসার ইনচার্জ শাহজালাল মুন্সি, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মো. জয়নুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর বিয়ানীবাজার ৭০৭ শাখার সভাপতি ফরহদা হোসেন, সহ সভাপতি নাজমূল হোসেন লিটন, সম্পাদক এবাদ আমদ, সহ সম্পাদক মো. সুরমান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী জুনেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. হাসান আহমদ, সদস্য আলী হোসেন, তারেক আহমদ, মো. জবরুল ইসলাম, কলেজ রোড শাখার সভাপতি ময়নুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুমন আহমদ, মোকাম রোড কোণাগ্রাম শাখার সভাপতি ইকবাল হোসেন, দুবাগ শাখার সভাপতি মছদ আহমদ, উত্তর বাজার শাখার সভাপতি কছে আহমদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালক, পথচারী ও সার্জনদের ট্রাফিক আইন মানতে হবে। ট্রাফিক আইন না মানা ও জানার কারনেই অনেক সার্জন সুযোগ বুঝে ট্রাফিক আইনের কথা বলে চালকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে। তাই ট্রাফিক আইন মানা ও জানা চালকদের জন্য জরুরী। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে জেল-জরিমানার পাশাপাশি কাটা যাবে পয়েন্ট। এক পর্যায়ে বাতিল হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স। একই ব্যক্তি একই ধরনের অপরাধ এর আগেও করেছেন কি না, সেটি বিবেচনা করা হয় না বর্তমান জরিমানা পদ্ধতির বেলায়। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে একই অপরাধ আবার করলে সাজা হবে কমপক্ষে দ্বিগুণ।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •