মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্নিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: ভোক্তা অধিকার আইনের কর্মকর্তাদের হঠাৎ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযানে কারনে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শ্রীমঙ্গলে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার দিকে মৌলভীবাজার ভোক্তা কর্মকর্তা আল আমিন ও সঙ্গীয় শ্রীমঙ্গল র‌্যাব ৯’র কে সাথে নিয়ে শ্রীমঙ্গলে বিভিন্ন হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ রোডস্থর হোটেল নূর ফুডস্ কে অনাদায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এদিকে শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হাজী মো: কামাল হোসেন ঘটনা স্থলে পৌছালে ভোক্তা কর্মকর্তা আল আমিনের সাথে কথা বলতে চাইলে ঐ কর্মকর্তা ওনার সাথে বাজে আচারণ করেন।

এর প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার ২ টা থেকে শ্রীমঙ্গল প্রাথমিক ভাবে সকল খাবারের হোটেল বন্ধ করে দেয় ব্যবসায়ীরা।পরে বিষয়টি সকল ব্যবসায়ী কে নিয়ে ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে জররুী বৈঠকে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক যোগে অর্নিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রতিবাদ মিছিল ও সড়ক অববোধ করা হয়। মিছিলটি মৌলভীবাজার রোড হয়ে চৌমহনা চত্তের আসার সময় পুলিশি বাধাঁ সম্মুখিন হয়।

এসময় শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদকে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম থানাতে ডেকে নিয়ে যান শেষ করার জন্য।থানার ভিতরে দীর্ঘ ৩০ মিনিট বৈঠকে আলোচনা করার পর সমাধান না হওয়াতে সম্পাদক কামাল হোসেন থানা থেকে বের হয়ে যান।এদিকে চৌমহনা চত্তরে প্রতিবাদ চলতে থাকে।ব্যবসায়ীরা জানান যতক্ষণ পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক,উপজেলা চেয়ারম্যান,মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার,শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা চৌমহনা চত্তরে না আসেন যতক্ষণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

এদিকে শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে আসা হাজার হাজার পর্যটকরা পড়েছেন মহাবিপাকে।কোন খাবারের হোটেল খোলা নয়। ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক এনি জানান আমরা শহরে ঢুকে দেখি শ্রীমঙ্গলে সকল খাবারের হোটেলের পাশাপাশি সকল প্রকার দোকান পাঠ বন্ধ রয়েছে।আমরা কোথায়ও একটি খাবারের হোটেল খোলা না পেয়ে অবশেষে মৌলভীবাজারের খাবারের জন্য যাচ্ছি ।

দৈনিক জনতা সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন কে জানান,মৌলভীবাজার ভোক্তা অধিকার আইনের কর্মকর্তা গত বুধবার আমাকে টেলিফোন করে বলেন শ্রীমঙ্গলে আসবেন।আমি ওনাকে স্বাগত জানাই।ঐ কর্মকর্তা আল আমিন ও সঙ্গীয় শ্রীমঙ্গল র‌্যাব ৯’র কে সাথে নিয়ে শ্রীমঙ্গল হবিগঞ্জ রোডস্থর নূর ফুর্ডসে পানিও জাতীয় ক্লোড্রিস্ পান্ডা ১ লিটারি ৪ বোতল মেয়াদ উর্ত্তীন পাওয়াতে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এই কর্মকর্তা এ মাসে ৩বার অভিযান চালান। এতে ব্যবাসায়রা পড়েন মহা বিপাকে। এদিকে নুর মালিক বলেন কিছুক্ষণ আগে এই মাল গুলো ডিলার থেকে পাঠানো হয়। সে মালের ভিতরে ৪ টি বোতলের মেয়াদ উর্ত্তীন থাকায় তিনি ঐ বোতল গুলো আলাদা করে সরিয়ে রাখেন রিপ্লেস’র জন্য।কিন্ত ঐ কর্মকর্তা এ কথা না শুনে জরিমানা করেন।এসময় ব্যবসায়ী সম্পাদকের সাথে ঐ কর্মকর্তা খারাপ আচারণ করেন।এর প্রতিবাদে ব্যবাসায়ীরা প্রতিবাদে সাধারণ ছোট দোকান থেকে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ করে দেন।এমনকি মেডিসিনের দোকান গুলো এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে ।

এদিকে অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন,এই কর্মকর্তা কোন কিছু না শুনে কার ইন্দ্রলে ওনি বার বার কোন ভেজাল কিছু না পাওয়া সত্যেও কোন না কোন অজুহাত দেখিয়ে জরিমানার খোলা ভরাট করে। মেমো খানা হাতে ধরিয়ে দেন। ব্যবসায়ীদের তাৎক্ষণিকভাবে ঐ টাকা পরিশোধ করতে হয়। এভাবে চললে আমরা অর্নিদিষ্টকালের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখিবো। আমরা ব্যবসা করে সরকারকে ভ্যাট টেক্স পরিশোধ করছি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গতকাল ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ চলছে এবং দোকান পাট বন্ধ রেখেছে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •