পাঁচবিবিতে প্রকাশ্যে চলছে মাদক সেবন ও বিক্রি

23 total views, 1 views today

নিউজ ডেক্স:: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামগুলোতে প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও বিক্রি চলছে, বিষয়টি দেখেও নীরব রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় মাদক মহামারি আকারে রূপ নিবে।

জানা গেছে, পাঁচবিবি উপজেলার কয়া সীমান্তের অধীন চেঁচড়া ডারার পার, আটাপাড়া সীমান্তের অধীন আটাপাড়া, উত্তর গোপালপুর, উত্তর কৃষ্ণপুর,(মনিপুর),পশ্চিম রামচন্দ্রপুর (বাঙ্গালপাড়া), বাগজানা রেলগেট, বাজার, হিন্দুপাড়া, দক্ষিণ মাষ্টার পাড়া, (দক্ষিণপাড়া) মালোপাড়ার চিহ্নিত পয়েন্টগুলোতে প্রতিদিন রাতের রাধারে সীমান্ত পয়েন্টে থাকা লাইনম্যান নামক মাদক ব্যবসায়ীরা যোগসাজশে কতিপয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অসাধু সদস্যদের মদদে বিভিন্ন কৌশলে ভারত সীমান্ত পেরিয়ে শত শত বোতল ফেন্সিডিল,গাজা, ইয়াবাসহ প্রবেশ করছে হরেক রকমের মাদক দ্রব্য।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এ সমস্ত পয়েন্ট দিয়ে পূর্বের তুলনায় মাদক পাচার কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে মাদক সহজ লভ্য হওয়ায় প্রতিদিন বাড়ছে শিশু, কিশোর, তরুণ, তরুণীসহ নানা বয়সীর মাদক সেবীর সংখ্যা। উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকা থেকে ঔই সব মাদক স্পটে ছুটে আসছে নানান বয়সী মাদক সেবী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক প্রতিরোধ অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায় মাদক ব্যবসায়ী,পাচার কারী ও সেবনকারীদের দৌরাত্ম ফিরে এসেছে পূর্বের চেহারায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট থানায় আয়োজনে মাদক বিরোধী সভায় ইতি পূর্বে মাদক সেবন বিক্রয়কারীরা ও গডফাদাররা মাদক ব্যবসা আর করবে না মর্মে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুলিশের নিকট প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেও তা আবার তারা পূর্বের ব্যবসায় ফিরে প্রকাশ্যে মাদক ক্রয় শুরু করেছে।

এব্যাপারে পাঁচবিবি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন বলেন, মাদক ব্যবসা করবে না মর্মে যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা অনেকে আবার মাদক ব্যবসায় ফিরে গেছে কথা ঠিক। পুলিশ তাদের ব্যাপারে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে মাদকের ব্যাপারে কোন আপোষ নেই। আমরা পূর্বের তুলনায় আসামীসহ মামলা করছি।

বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ মোহাম্মদ আনিসুল হক বলেন, সীমান্তে চোরাচালান নেই তবে কিছু মাদকদ্রব্য আসছে বিজিবি তাদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স এ রয়েছে। কোন ভাবেই আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে আসামী ও মালামাল উদ্ধার হচ্ছে। তবে কোন সদস্যের বিরুদ্ধে সু-নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে হবে।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •