রক্তের বিনিময়ে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা: আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী

54 total views, 1 views today

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দেশকে দুইবার স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, একবার ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসম্বরে আরও এক বার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী, বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে বের হয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশ আসেন তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্ধীরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি, তখন বঙ্গবন্ধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলেন আমি আমাদের দেশে যাওয়ার আগে আপনার দেশের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনুন। সেই অর্থে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জন্য দুই স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।

তিনি বলেন পৃথিবীর সব স্বাধীন দেশেরই স্বাধীনতা দিবস আছে, কিন্তু বিজয় দিবস নেই, আমরা একই সঙ্গে স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের উত্তরাধিকারী, একাত্তরের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিল। যে অগণিত শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয় সম্ভব হয়েছিল, আমরা তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের। তিনি আরো বলেন আলোচনার টেবিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আসেনি, এসেছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। তাই বিজয় দিবস আমাদের জন্য আরও বেশি অর্থবহ। বিজয় দিবস যেমন আমাদের আনন্দের দিন, তেমনি আত্মজিজ্ঞাসারও।

তিনি ১৬ ডিসেম্বর শনিবার ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যেগে আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য উপরোক্ত কথা বলেন।

ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সোস্তাকুর রহমান মফুর, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির উদ্দিন আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দাল মিয়া, আব্দুল মতিন, সালিক আহমদ ছাদিক, শ্রী প্রীতি রন্জন চৌধুরী, বালাগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল আলম, বুরুঙ্গা ইউ,পি চেয়ারম্যান খালেক আহমদ লটই, সিরাজ বখত উকিল, আনহার মিয়া, শফিকুল ইসলাম, দিদার আলম, শ্রী নিবাস চক্রবর্তী, ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া,দিপস্কর দেব শিবু, ছানারা বেগম, ফজল মিয়া, খালিছ মিয়া, জেলা ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব কান্তি দাস, দিদার হোসেন সাজু, মুহিবুর রহমান মুহিব, এস আই টুটুল, ওসমানীনগর উপজেলা যুবলীগ নেতা রবিন আহমদ আবদাল, তফজ্জুল ইসলাম, আলী আহমদ লিখন, রন দেব, বুরুঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা অরুন চক্রবর্তী, সার্জান মিয়া, বাবলু খান, লিয়াকত আলী, আবুল হাসান, জাবেদ আলী, নুরুল আমিন জাহান, হিলটন মিয়া, বদরুল ইসলাম, আমিনুর রহমান চৌধুরী পাবলু, ছাত্রলীগ নেতা বাদশা মিয়া, তানভীর আহমদ, রায়হান চৌধুরী, মামুন আহমদ, রাসেল আহমদ, জাকের আহমদ, আরিফ আহমদে প্রমুখ।

কমেন্ট
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •